পেনসিলভানিয়াতেও ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতি মামলা খারিজ

আন্তর্জাতিক

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেন এবং আইনী লড়াইয়ের পথে হেটেছিলেন একের পর এক।তার সেই অভিযোগের পাহাড়গুলোও গলে যাচ্ছে বার বার। গত ৩ নভেম্বরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে হেরে যাওয়া অঙ্গরাজ্যগুলোতে মামলার ঝড় তুলেছিলেন ট্রাম্প সমর্থকেরা। তবে তাতে লাভ হলো না খুব একটা। উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে না পারায় বেশিরভাগ জায়গাতেই খারিজ হয়ে গেছে মামলাগুলো। এ তালিকায় সবশেষ যোগ হলো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী ব্যাটলগ্রাউন্ড পেনসিলভানিয়া।

শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণা দলের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন পেনসিলভানিয়ার এক জেলা জজ আদালত।
যদিও রিপাবলিকানদের মামলাটিতে জেতার সম্ভাবনা বরাবরই কম ছিল।

তবে ট্রাম্পের সমর্থক ও তার লিগ্যাল টিম, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত অ্যাটর্নি রুডি গিলিয়ানি পেনসিলভানিয়ার ফেডারেল বিচারকদের ওপর ভরসা করে জেতার আশা ধরে রেখেছিলেন।

শনিবার মার্কিন জেলা আদালতের এ বিচারক লিখেছেন, বাদীরা আদালতকে প্রায় ৭০ লাখ ভোটারকে অধিকার বঞ্চিত করতে বলেছে। নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় বাদীরা যে কঠোর প্রতিকার চেয়েছে, তেমন কোনও ঘটনা খুঁজে পায়নি এই আদালত।

অঙ্গরাজ্যটিতে এত বিপুল সংখ্যক ভোট বাতিলের দাবির সপক্ষে ট্রাম্প সমর্থকদের আইনজীবীরা বাস্তবিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় তাদের তীব্র ভাষায় তিরস্কার করেন এ বিচারক।

তিনি বলেন, কেউ যখন এমন চমকপ্রদ পরিণতির আশা করে, তখন বাদীকে শক্ত আইনি যুক্তি এবং ব্যাপক দুর্নীতির বাস্তবিক প্রমাণে সজ্জিত হয়ে আসতে হয়, যেন তাদের প্রস্তাব মেনে নেয়া ছাড়া আদালতের কাছে আর কোনও বিকল্প না থাকে। কিন্তু, এমনটি ঘটেনি।

বিচারক ব্র্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ জনবহুল অঙ্গরাজ্যকে বাদ দেন, এখানে একজন ভোটারকেও অধিকার বঞ্চিত করা যায় না। আমাদের জনগণ, আইন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি আরও বেশি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয়ী হওয়ার ফল পাল্টে দিতে পেনসিলভানিয়াতে মামলায় জেতা খুবই জরুরি ছিল ট্রাম্পের। এ রাজ্যেরটিসহ নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত রিপাবলিকান শিবিরের অন্তত ৩০টি মামলা বাতিল বা প্রত্যাহার করা হলো।

আগামী সোমবারের মধ্যে পেনসিলভানিয়ায় কাউন্টিগুলোর ভোটের ফলাফল নিশ্চিত করার কথা।

সূত্র: সিএনএন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *