প্রতিনিয়তই সাইবার অপরাধ বাড়ছে: আইজিপি

জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, পুলিশের সামনে আগামী চ্যালেঞ্জ হলো সোশ্যাল মিডিয়া। পুরাতন অপরাধ কমছে, কিন্তু প্রতিনিয়ত সাইবার অপরাধ বাড়ছে।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের শহীদ শিরু মিয়া মিলনায়তনে কমিউনিটি পুলিশিং দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হতে হলে আমাদের আত্মমর্যাদাশীল সমাজ গঠন করতে হবে। সেই সমাজটা হতে হবে অপরাধমুক্ত এবং অপরাধের ভীতিমুক্ত। জিরো ক্রাইম কোনো সমাজে পাওয়া খুব কঠিন। ইউরোপের অনেক জেলখানা এখন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কারণ সেখানে কোনো অপরাধী পাওয়া যাচ্ছে না। তবে একটি কমন জেলখানা রাখা হয়েছে, যাতে করে কেউ পাওয়া গেলে তাদের রাখা যায়।

আইজিপি বলেন, রাত তিনটার সময় অথবা ভোর পাঁচটার সময় একাকী একজন নারী মহাসড়ক, রাজপথসহ সব পথে হেঁটে যাবেন ভীতিমুক্ত পরিবেশে; একটি শিশু হেঁটে যাবে ভীতিমুক্ত পরিবেশে। যখন আমরা এইটা অর্জন করতে পারব, তখন আমরা একটি ভীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত সমাজের কাছাকাছি এসে পৌঁছে যাব। তবে পুলিশের পক্ষে এটি এককভাবে সম্ভব নয়। এই কাজটি রাষ্ট্রকে করতে হবে পার্টনারশিপের মাধ্যমে। পার্টনারশিপ করতে হবে সমাজের সঙ্গে, নাগরিকদের সঙ্গে। একেই বলা হয় পার্টনারশিপ ইন পুলিশিং।

পুলিশপ্রধান বলেন, বাংলাদেশে একাধিকবার জঙ্গিদের কবলে পড়েছি আমরা। প্রতিবারই জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক আমরা সমূলে উৎপাটন করতে পেরেছি। এর একমাত্র কারণ হচ্ছে, জনগণের সঙ্গে আমাদের মেলবন্ধন ছিল। প্রতিবার হামলার সময় দেশের মানুষ যেভাবে পুলিশকে সহযোগিতা করেছে, সেই সহযোগিতা না পেলে আমরা সফল হতে পারতাম না। আমাদের দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়; তারা শান্তি ভালোবাসে। জনগণ কখনোই রক্তপাত পছন্দ করে না। এ কারণে জঙ্গিবাদ এ দেশে শেকড়-বাকড় গেঁড়ে বসতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারির সময় যখন অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায়নি, তখন বাংলাদেশ পুলিশ ফ্রন্টলাইন ফাইটার হিসেবে এই সমাজের জন্য, এই দেশের জন্য কাজ করেছে। সন্তানের ভূমিকা পালন করেছে পুলিশ। অসুস্থকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে, মৃতকে দাফন ও সৎকারের কাজ করেছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *