ফুঁসছে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কৃষক

সারাবাংলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
রপ্তানী প্রক্রিয়া করণ অঞ্চল (ইপিজেড) নির্মানের নামে তিন ফসলী কৃষি জমি অধিগ্রহনের প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে মানববন্ধন করেছে শত শত কৃষক। পশ্চিম আউলিয়াপুর তিন ফসলী কৃষি জমি রক্ষা কমিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সকাল সাড়ে ১০টায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের বক্তব্য রাখেন কৃষক মাওলানা মো.সিদ্দিকুর রহমান,আবদুল হক মোল্লা,মো.মিজানুর রহমান,এইচএম ইলিয়াস,জসিম তালুকদার। বক্তারা বলেন মহাসড়ক নির্মানের জন্য তারা জমি দিয়েছেন, সম্প্রতি রেল লাইন নির্মানের জন্য তাদের শত শত একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। এখন আবার ইপিজেড নির্মানের জন্য সরকার তাদের ৪০০(চার শত) একর জমি অধিগ্রহনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বক্তারা বলেন,শেষ সম্বল কৃষি জমি সরকার কেড়ে নিলে তাদের আর কোন কৃষি জমি থাকবে না। তিন ফসলী জমি অধিগ্রহন করা যাবে না-প্রধানমন্ত্রীর যে ঘোষনা দিয়েছেন সেটার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দাবী জানান বক্তারা।মানববন্ধনে উপস্থিত আনোয়ার (৬৫),আবদুল মালেক (৫৫),আবদুস সালাম (৬২), ফারুক (২৬)সহ আরও একাধীক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,তাদের তিন ফসলী জমির দুই কিলোমিটারের মধ্যে বাঁশবুনিয়া এলাকায় এক ফসলি জমি কৃষকরা ইপিজেড নির্মানের জন্য সরকারকে হস্তান্তর করতে চায়। সড়কে পাশে সেই জমি সরকার না নিয়ে তিন ফসলী জমি কি কারণে অধিগ্রহন করতে চায় তা জানা প্রয়োজন বলে দাবী করেন কৃষকরা। তারা বলেন আমরা সরকারের উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকার পটুয়াখালীতে একটি ইপিজেড নির্মান করতে চায় এটা খুশির খবর। একাধীক বিকল্প জমি থাকতে মহাসড়কের পাশে কেন এই জমি প্রস্তাব করা হয়েছে তা কারো বোধগম্য নয় বলে জানান তারা। তারা দাবী করেন বলইকাঠী চর,চর মৌশাদী,চর জৈনকাঠী,লোহালিয়া সেতু সংলগ্ন চর এলাকায় হাজার হাজার পতিত জমি থাকতে কি কারণে তিন ফসলি জমি প্রস্তাব করা হয়েছে তা জানতে চান কৃষকরা।
পরে মানববন্ধন শেষে ৮২৮ জনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *