ফেরির পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, যাত্রীদের ক্ষোভ

জাতীয় সারাবাংলা

অনলাইন ডেস্ক : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ পথ মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে চ্যানেলের নাব্যতা সংকট ও প্রবল স্রোতের কারণে ১২ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ফেরি চলাচল। যাত্রীদের অনেকে ঘাটে এসে পড়েছেন বিড়ম্বনায়। তাদের মধ্যে অনেকে গাড়ি রেখে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চ-স্পিড বোটে করে ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পার হচ্ছেন। যাত্রীদের অনেকে ফিরে গেলেও পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা ঘাটেই অপেক্ষা করছেন। এরপর কয়েক দফায় ফেরি চলাচলের চেষ্টা করেও তা পুরোপুরি সচল করা যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট সূত্র জানায়, গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেটাইপ ও ছোট ফেরি দিয়ে এ নৌ-রুটটি সচল রাখা হলেও বর্তমানে মূল পদ্মা পার হয়ে, লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে পদ্মা সেতুর চ্যানেলের মুখের ৩০ থেকে ৪০ ফুট যায়গায় পানি কম থাকায়, প্রবল স্রোত ও নাব্যতা সংকট তৈরি হওয়ায় এ নৌ-রুটের ছোট ফেরিগুলোও চলাচল করতে পারছে না। ফেরির পর তীব্র নাব্যতা সংকটে এবার অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ হলো শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটের ফেরি ও লঞ্চ চলাচল।

নৌরুটের চ্যানেলে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় চ্যানেল অতিক্রম করতে গিয়ে লঞ্চ আটকে যাচ্ছে ডুবোচরে। এ কারণে লঞ্চ মালিক ও চালকেরা সকল প্রকার লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে মুন্সীগঞ্জে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে।
আজ সোমবার সকাল থেকে ঘাট এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ভিড় বেড়েছে স্পিডবোটে।
বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, নৌপথে নাব্যতা সংকট থাকায় লঞ্চ চলাচল করতে পারছে না। এ কারণেই সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, সকাল থেকেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ। চ্যানেলে তীব্র নাব্যতা সংকট রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহ-উপ মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতুর লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে চ্যানেলে নব্যতা সংকট ও পানির গভীরতা ৩ থেকে ৪ ফুটে নেমে আসার কারণে দফায় দফায় বাধ্য হয়েই বন্ধ রাখতে হচ্ছে এই নৌ-রুটের ফেরি চলাচল।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *