ফের উত্তপ্ত কোম্পানীগঞ্জ, পুলিশের সংঘর্ষে আহত ২০

জাতীয় সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ। শনিবার (১২ জুন) দুপুরে চরকাঁকড়া টেকের বাজারে বাদলের অনুসারীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, টেকের বাজারে হরতালের সমর্থনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বাদলের সমর্থকরা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ বাধা দেয়। এতে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় পুলিশের গুলিতে বাদল-সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফখরুল ইসলাম সবুজ (৫৫) ও তার ছেলে তরিকুল ইসলাম চয়ন (১৮) ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হন।
গুরুতর আহত চয়নকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, ব্যারিকেড ভাঙতে গেলে পুলিশের ওপর ইট নিক্ষেপ করা হয়। এতে ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ ২০-২৫ রাউন্ড শটগানের গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে সকালে মিজানুর রহমান বাদল ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসিব আহসান আলালের ওপর হামলার প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু। শনিবার (১২ জুন) বেলা ১১টায় ফেসবুক লাইভে এসে এ ঘোষণা দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পাঁচ মাস ধরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। এ দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ইতোমধ্যে একজন সাংবাদিকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন আরও শতাধিক।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *