বইমেলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে ডিএমপির কঠোর নির্দেশনা

জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি)। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বই মেলার বর্ধিত অংশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত ডিএমপির অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণপদ রায়।

তিনি বলেন, কোভিডের কারণে একটি বিশেষ অবস্থা তৈরি হয়েছে। যারা মেলায় আসবেন তারা অবশ্যই মাস্ক পরে আসবেন। হাত ধোয়া কিংবা স্যানিটাইজ ব্যবস্থা মেলার গেটে থাকবে বলেও জানানো হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রবেশ গেট আমরা চিহ্নিত করেছি। এবার একটি অতিরিক্ত প্রবেশ পথ যুক্ত হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউটের পাশ দিয়ে শিখা চিরন্তন গেট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। আপনারা জানেন, রাস্তা-ঘাটে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। এজন্য অতিরিক্ত গেট রাখা হয়েছে। এবারে কিছু কিছু নিরাপত্তা স্ট্র্যাকচার (ধরন) পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের পেট্রোল থাকবে, ফুট পেট্রোল থাকবে। যারা বই মেলায় আসবেন শুধুমাত্র তারাই ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউটের গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন। আমরা বাংলা একডেমির সঙ্গে কথা বলেছি। মেলা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, পার্কিংয়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। তবে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঝে পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিশেষ কোনো পরিস্থিতি ছাড়া এ পথে গাড়ি প্রবেশ করবে না।

মেলা উপলক্ষে লেখক ও প্রকাশকদের উপর কোনো ধরনের হুমকি আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষ্ণপদ রায় বলেন, কোনো ধরনের হুমকি নেই। তবে অতীতের ঘটনা মাথায় রেখেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছি। কেউ অপরাধমূলক কাজ করছে কিনা সে ব্যাপারেও আমরা নজরদারি করছি। যথাসময়ে তথ্য পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এছাড়া সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দেয় এমন বই প্রকাশ হচ্ছে কিনা আমরা সেই খোঁজও রাখছি।

তিনি আরো বলেন, এবারের বইমেলায় প্রধানত তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। সাদা পোশাকে একটি ব্যবস্থাপনা থাকবে, সিসিটিভি, আর্চওয়ে থাকবে, গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিবির টিম থাকবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *