বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে খুন

সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: বগুড়ার শাজাহানপুরে যুবলীগ নেতা মজনু প্রামাণিকসহ বিভিন্ন সময়ে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ফোরকানকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ফোরকান শাজাহানপুর উপজেলাধিন বগুড়া পৌরসভার ১৩নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলা এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের ছেলে। বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিহত যুবলীগ নেতা মজনু পরিবারের লোকজন ফোরকানকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবার।

জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ফুলতলা বাজার এলাকায় ফোরকানকে ধাওয়া করে একদল সন্ত্রাসী। দৌড়ে পালানোর সময় রাস্তায় পড়ে গেলে সন্ত্রাসীরা ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান।

জানা গেছে, একসময় ফুলতলা এলাকায় শীর্ষ দুই সন্ত্রাসী ছিল যুবলীগ নেতা শাহীন এবং মজনু প্রামাণিক। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত ১০ বছরে মজনু প্রামাণিকের পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যা করা হয়। প্রথমে সন্ত্রাসী শাহীনের হাতে খুন হন মজনুর পিতা শুকুর আলী প্রামাণিক। এরপর মজনু বাহিনীর হাতে খুন হন শাহীন। পরবর্তীতে শাহীন বাহিনীর হাতে খুন হন মজনু প্রামাণিক ও তার ভাই রঞ্জু প্রামাণিক, ভাতিজা নাহিদ প্রামাণিক ও শামীম আহম্মেদ বুশ। হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া দুই মামলার আসামি ছিলেন ফোরকান।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখনও মামলা দায়ের হয়নি। হত্যার শিকার ফোরকান দুইটি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি ছিল। স্থানীয়ভাবে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *