বিমানবন্দরের গণশুনানিতে ছিলেন না যাত্রীরাই

নগর–মহানগর
নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিদেশগামী কয়েকজন যাত্রীকে ডেকে নিয়ে আসা হলেও কী নিয়ে এই আয়োজন তা বুঝতে না পেরে, অনেকেই চলে যান শুনানি ছেড়ে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রী মতামত ও পরামর্শ পেতে ভবিষ্যতে প্রচারণা বাড়ানো হবে, দরকার হলে গণশুনানির সময়ও বদলানো হবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বর্হিগমন কনকোর্স হলে আয়োজন করা হয় যাত্রীসেবা নিয়ে গণশুনানির। শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন সবমিলিয়ে মোট ৭৩ জন। যাদের জন্য এই গণশুনানির আয়োজন সে যাত্রী ছিলেন মাত্র ৫ জন। বাকিরা সিভিল এভিয়েশন, বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি। ছিলেন গণমাধ্যম কর্মীরাও।

গণশুনানি শুরু হওয়ার আগে বিমানবন্দর কর্মকর্তারা যেসব যাত্রীকে ডেকে নিয়ে এসেছিলেন, তাদের বেশিরভাগই উঠে চলে যান। কারণ তারা জানতেনই না সেখানে গণশুনানি চলছে।

শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান যাত্রীদের বিভিন্ন অভিযোগ জানতে চান। তখন একজন যাত্রীই ছিলেন, যিনি প্রথমবার শাহজালাল বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন। অনুষ্ঠানের একেবারে শেষ দিকে আরেকজন যাত্রী আসেন গণশুনানিতে। জানান বিস্তর অভিযোগ।

করোনা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট সংখ্যা যেমন কম, তেমনই কমেছে যাত্রী সংখ্যা। ফলে প্রচারণা ছাড়া গণশুনানিতে যাত্রী পাওয়াটাই মুশকিল ছিল।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। আশা করেছিলাম প্রায় তিনশ’র মতো যাত্রী পাবো। পরবর্তীতে আমরা চেষ্টা করবো বেশি সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করতে।’

এর আগে, গত বছরের অক্টোবরে গণশুনানি হয়েছিল এই কনকোর্স হলেই।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *