বিশ্বজুড়ে কমেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে কমেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু, সেই সঙ্গে বেড়েছে এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা। মহামারি শুরুর পর থেকে প্রাণঘাতী এ রোগে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থ হয়ে ওঠাদের হালনাগাদ তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স জানিয়েছে এই তথ্য।

ওয়েবসাইটটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৯২ হাজার ১২০ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৭ হাজার ৪৬১ জন।

অর্থাৎ, ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ৬৭ জন এবং মৃতের সংখ্যা কমেছে ৯০৩ জন।

শুক্রবার করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে বিশ্বের দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। মহামারিতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু দেখা এই দেশটিতে শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন  ১ লাখ ১১ হাজার ৮২৯ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৩৩২ জন।

এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে সে দেশগুলো হলো- জার্মানি (নতুন আক্রান্ত ৫৯ হাজার ২৬৬, মৃত্যু ২৩০), যুক্তরাজ্য (নতুন আক্রান্ত ৪৪ হাজার ২৪২, মৃত্যু ১৫৭), রাশিয়া (নতুন আক্রান্ত ৩৭ হাজার ১৫৬, মৃত্যু ১ হাজার ২৫৪), তুরস্ক (নতুন আক্রান্ত ২৩ হাজার ৮১০, মৃত্যু ২১৮), পোল্যান্ড (নতুন আক্রান্ত ২৩ হাজার ২৪২, মৃত্যু ৪০৩), ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ২১ হাজার ২২০, মৃত্যু ৫০) এবং ইউক্রেন (নতুন আক্রান্ত ২০ হাজার ৫০, মৃত্যু ৪০৩)।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৯৮ লাখ ২৭ হাজার ৭৩ জন। এই রোগীদের মধ্যে মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৭ হাজার ৮৩৮ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৭৯ হাজার ২৩৫ জন।

২০২০ সালে মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩১১ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন মোট ৫১ লাখ ৫৫ হাজার ২৫৮ জন। এছাড়া, বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ২৩ কোটি ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮০ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *