বোদায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগ

সারাবাংলা

সেলিম সোহাগ, পঞ্চগড় থেকে
পঞ্চগড় জেলা বোদা উপজেলার কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ১০ টাকা কেজি দরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ করেন কার্ডধারীতে অভিযোগ করেন। বোদা উপজেলার নির্বাহীর কর্মকর্তার কাছে। কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ধামেরঘাট ডাঙ্গাপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দার শ্রী মুকুন চন্দ্র রায়, পিতা- শ্রী দশন চন্দ্র রায়। সে একজন সাধারণ গরিব অসহায় মানুষ। পারিবারিক অবস্থা শোচনীয়। তার পরিবারের চারজন লোক একাই সংসার পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে দশটাকা চালের খাদ্য বান্ধব সূচির চাল উত্তোলন করে আসেন। তাকে তিনবার চালের বিল দেওয়া হয়নি। আরও অনেকের এই অবস্থা । স্বপন, কানদুরা মহন, এরা সবাই গরীব মানুষ। এই ব্যাপারে কার্ড ধারীরা চালের ডিলার মনিরুজ্জামান শ্যামলের কাছে চাল চাইতে গেলে তিনি বলেন আজকে দেব কালকে দেব এইভাবে সময় ক্ষেপন করেন। একবার চাল দিলে পাশ বইয়ে দুই বস্তা চাল পাওনা লিখেন। কিছু কথা বলতে গেলে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি হুমকী প্রদর্শন করেন। তোমাদের কাউকে দেওয়া হবে না। হঠাৎ করে একদিন চাউলের ডিলার শ্যামল ও ধামের ঘাট পাঁচ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শওকত আলী আমাদের বেশ কয়েকজনের কার্ড বাতিল করে দেন। আমরা চেয়ারম্যানের কাছে গেলে চেয়ারম্যান বলেন, আমি কার্ড বাতিল করি নি। এমনও মানুষের কাছে মোটা অংকের বিনিময়ে টাকা নিয়ে তাদেরকে কার্ড দেয় মো. শওকত মেম্বার। যেমন- যতিশের বাড়িতে পঙ্গু ভাতা বয়স্কভাতা এবং দশ টাকা কেজি চালের কার্ড ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের জয়ন্তী রানী স্বামী সুরেশ চন্দ্র রায় তার বাড়িতে দুটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনেক বাড়িতে তিনটি করে কার্ড আছে। চালের ডিলার মনিরুজ্জামান শ্যামল দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য বান্ধব চাল বিতরন করেন। তাদের সঙ্গে কথা বললে ওনি বলেন খোলা চাল আমায় ৩০ কেজি করে চাল মেপে দিতে হয়। ডিজিটাল পাল্লায় মাপে ভুল হওয়ার কারণে অনেক জনের কাছে চাল বেশী গেছে। এই জন্য কিছু কার্ড ধারীকে চাল দেওয়া হয়নি। এই ব্যাপারে বোদা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজামান বোদা নির্বাহী অফিসারের কাছে বক্তব্য চাইলে ওনারা বলেন আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সরজমিনে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *