ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান

সারাবাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শেষ হয়েছে সরকারি গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান। ধান সংগ্রহ হয়েছিল চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে আর চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছিল পহেলা মে থেকে। এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১৪,৭১৬ মে. টন ধানের মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে ১৪,৪২৮। যা শতকরা ৯৮.০৪ %, আর ৪১,৬৩২ মে. টন চালের মধ্যে ৪০,৯৫৩ টন যা শতকরা ৯৮.৩৭ % ভাগ সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে ধান ২৮৮ মে. টন ও চাল ৬৭৯ মে. টন চাল সংগ্রহ হয়নি। জেলা খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এবার শর্ত ভঙ্গ করেছে দুইটি চাতাল কল মিল। জানা যায়, চলতি বোর মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জুড়ে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয় ১৪,৭১৬ মে. টন। আর সিদ্ধ চাল ৩২,০০৪ ও আতপ চাল ৯,৬২৮ মে. টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্র দেওয়া হয়। তার মধ্যে ধান ১৪,৪২৮ এবং সিদ্ধ চাল ৩১,৩২৫ ও আতব শতভাগ ৯,৬২৮ সংগ্রহ করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ি এবার চাল ৬৭৯ টন চাল সংগ্রহ হয়নি। আরও জানা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৯১টি সিদ্ধ চালের মিল ও ১০২ টি আতপ চালের মিল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিভাগের সঙ্গে এবার চুক্তি করে। তার মধ্যে দুইটি মিল তাদের চুক্তি শর্ত ভঙ্গ করেছে। তারা হলেন আওলাদ এগ্রো ফুড ও হাফিজুর রহমান রাইস মিল। এই দুইটি মিল ৬৭৯ টন চাল গুদামে সরবরাহ করেনি। তার মধ্যে হাফিজুর রহমান রাইস মিল ২৩ মে. টন চাল আর আওলাদ এগ্রো ফুড ৬৫৬ মে. টন চাল দিতে পারেনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী জানান, বোর মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে ধান শতকরা ৯৮.০৪ %, চাল ৯৮.৩৭ % ভাগ সংগ্রহ হয়েছে। তবে ধান ২৮৮ মে. টন ও চাল ৬৭৯ মে. টন চাল সংগ্রহ হয়নি। এবার দুইটি মিল তাদের চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তাদের খাদ্য শস্য সংরক্ষণ নীতিমালা মোতাবেক চাল সংগ্রহের চুক্তি ব্যর্থ হওয়ায় মিল দুইটি নূন্যতম আগামী এক বছরের জন্য কলো তালিকাভুক্ত হতে হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *