বড়পুকুরিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম

সারাবাংলা

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি হতে কয়লা উত্তোলনের ফলে নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশপুকুর ও বৈদ্যনাথপুর গ্রামের প্রায় দু’শ পরিবার আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের টাকা দেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় পার্বতীপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীদের ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম ঘোষণা দেন তারা। জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ এ সময়ের মধ্যে দাবি মেনে না নিলে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে আন্দোলনের বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের উপদেষ্টা ইব্রাহিম খলিল, রুহুল আমীন, রেজওয়ানুল হক, আবু মুসা, মঈন উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক বোরহান আলী প্রমুখ। উপদেষ্টা ইব্রাহিম খলিল সাংবাদিকদের বলেন,কয়লা উত্তোলন অব্যাহত থাকার ফলে নতুন করে খনি এলাকার বাশঁপুকুর ও বৈদ্যনাথপুর গ্রামের ১৫ দশমিক ৫৮ একর জমি অবনমন ঘটেছে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই এলাকার দু’শ পরিবার। এর প্রভাবে ওই এলাকার বাড়িঘরে ফাটল ধরেছে, কুয়া, টিউবওয়েল ও পুকুরের জল প্রতিনিয়তই ভূ-গর্ভে নেমে যাচ্ছে। এতে কোন ভাবেই এ দুই গ্রামে বসবাস করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে, ভূমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় খনি কর্তৃপক্ষ ২০২০ সালের ১ মার্চ ৪ ধারায় ও ২৩ জুন ৭ ধারায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের জমি অধিগ্রহনের নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়নি, দেয়া হয়নি ক্ষতিপূরণের অর্থ। এ অবস্থায় জীবনের ঝূঁকি নিয়ে দূর্বিসহ জীবন যাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত দুই গ্রামের মানুষ।
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দুই গ্রামের জমি অধিগ্রহনের প্রাক্কালন চুড়ান্ত করেছে জেলা প্রশাসন। এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের চাহিদাপত্র পেলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *