ভূঞাপুরে জমজমাট পাট ও কাঠির হাট

সারাবাংলা

নাসির উদ্দিন, ভূঞাপুর থেকে
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জমজমাট পাট ও পাট কাঠির হাট। দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্রেতা ও পাইকারদের মিলন মেলায় পরিণত হয় হাটে। সরেজমিনে গত বৃহস্পতিবার গোবিন্দাসী হাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। শত বছরের পুরোনো এ হাটটি যমুনা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় চরাঞ্চলের কৃষকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কৃষি পণ্য বিক্রি করতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া উপজেলার শিয়ালকোল ও নিকরাইল হাটেও জমে উঠেছে পাটের হাট। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় চলতি বছর উপজেলায় সোনালী আঁশ পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি চাষিরা। উপযুক্ত দামও পেয়েছেন কৃষক। পাটের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। ফলে বাড়তি আয় হচ্ছে তাদের। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আগ্রহী হচ্ছে অন্যান্য কৃষকেরা।
পাট বিক্রেতা কৃষক গাবসারার আলম মন্ডল বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে পাট বপন করেছিলাম। ফলনও হয়েছে ভাল। প্রতি বিঘায় ৬-৭ মণ পাট পেয়েছি। প্রতিমণ পাট ৩ হাজার থেকে ৩২’শ টাকায় বিক্রি করেছি। পাটকাঠি বিক্রি করেছি ৮ টাকা আটি। পাইকার জাহিদুল জানান, এবার পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে মণপ্রতি ৩ থেকে ৪’শ টাকা কম দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল-মামুন রাসেল জানান, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। পাটের পাশাপাশি পাটকাঠিরও ভালো দাম পেয়েছে কৃষক। পাটকাঠির নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। পানের বরজ, কার্বন ফ্যাক্টরীর জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই বাজারে দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। এবার উপজেলায় ৪ হাজার ৪’শ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *