ভোট গ্রহণ শেষ হলো চট্টগ্রামে

Uncategorized সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষকয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের ৩ উপজেলার ৩৯ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে তেমন কোনো ঝামেলা না হলেও বিভিন্ন ইউনিয়নে সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এতে ১ জন নিহত ও অন্তত ১৬ আহত হন। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) ভোরে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়ন দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন প্রার্থীর সমর্থকেরা। এ ছাড়া বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত হন ৩ জন। অন্যদিকে ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ও পাইন্দং ইউনিয়নে আদালতের নির্দেশে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন বন্ধ থাকলেও ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। লেলাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লালপুল তোফায়েল আহমেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মুরাদের সঙ্গে মোরগ প্রতীকের জামাল পাশার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শফি নামে এক ব্যবসায়ী মারা যান। আহত হন আরও ৮ জন।

পাইন্দং ইউনিয়নের বেড়াজালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী এমদাদ ও খোরশেদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে পারভেজ নামে একজন আহত হন।
অন্যদিকে মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহেদ ইকবাল চৌধুরী ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

সার্বিক নির্বাচনের বিষয়ে চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ২-১ বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ফটিকছড়িতে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এ ছাড়া সীতাকুণ্ডের দুইটি কেন্দ্রে ঝামেলা হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। তা ছাড়া ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করা মতো। সব মিলিয়ে ভালো একটা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশা করছি ভোট গণনা শেষ অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করতে পারবো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *