মঞ্জুকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

সারাবাংলা

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শকে ভালোবেসে সাহসিকতার সঙ্গে র্দীঘ সময় ধরে সাভার-আশুলিয়ার রাজনীতির সঙ্গে আছেন তিনি। আজবদি কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপস করেননি কোন দিন তিনি। করেননি কোনো বিচারের নামে অবিচার। সততা ও ন্যায়ে প্রতি তিনি আগ্রহ ছিলেন বেশি। তার এই দৃঢ় অবস্থানের কারণে আশুলিয়ায় দিনের পর দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এই মেধাবী ও পরিশ্রমি নেতা হলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেওয়ান মো. মেহেদী মাসুদ মঞ্জু। দেওয়ান মো. মেহেদী মাসুদ মঞ্জু ১৯৬৯ সালের ০১ জানুয়ারি ঢাকা জেলার উপজেলার অর্ন্তগত আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জিরবো গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম দেওয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা দেওয়ান মো. হাবিুবর রহমান ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জীবিত অবস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ৩৫টি বছর কাটিয়েছেন। তৎকালীন সময়ে তিনি ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১০ বছর, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে ১৫ বছর ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগে সদস্য পদে ১০ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। বরেণ্য এই রাজনৈতিক পিতার কাছে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে শুনতে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রেমী হয়ে উঠেন।
বাংলাদেশকে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশাংসা করে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, এই অগ্রযাত্রার একজন অন্যতম কর্মী আমাদের দেওয়ান মেহেদী মাসুদ মঞ্জু ভাই। তিনি সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসাসহ সকল ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে তৃণমূল নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিঃরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাই এই কর্মী প্রিয় ও জননন্দিত নেতাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখা আমাদের স্বপ্ন। তাই আগামীতে এই নেতাকে আমরা ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
বর্তমান সময়ে অন্যায়ের প্রতিবাদী কন্ঠ, তৃণমূল নেতাকর্মীদের কল্যাণে নিবেদীত প্রাণ, সৃৃজনশীল নেতা দেওয়ান মো. মেহেদী মাসুদ মঞ্জু বলেন, আমি দল থেকে কিছু পাওয়ার আশায় রাজনীতি করি না। আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শকে ভালোবেসে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছে। আমি দলকে যেমন ভালোবাসি তেমনি তৃণমূল নেতা কর্মীরাও আমাকে ভালোবাসে। নেতাকর্মীদের ইচ্ছা আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের সামনে থাকি। তাদের এই স্বপ্নকে স্বার্থক করতে দল যদি আমাকে সমর্থন দেয় আমি নির্বাচন করবো। নতুবা আমি নির্বাচন করবো না।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি কি করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ভালোবেসে ও তার চেতনা বুকে ধারণ নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধ্যে স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালি করার লক্ষ্যে কাজ করবো, সেই সঙ্গে যেখানেই বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি বাধা হয়ে দাড়াবে, সেখান থেকেই প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ গড়ে তুলবো। এ সময় তিনি আরও বলেন, এলাকার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসা সহ সকল ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে ইউপি সদস্য, নেতাকর্মী সহ এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাবো। এছাড়াও সমাজের মৌলিক সমস্যা নিরসনে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন চান আমি ততদিন রাজনীতি করে যাবো। উনার হাতকে শক্তিশালী সাভার উপজেলা সহ শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ইয়ারপুরকে একটি সচ্ছ সুন্দর মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রুপান্তরিত করার পক্ষে কাজ করবো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *