মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের বিদায়ী আবাসিক সমন্বয়কের সাক্ষাৎ

জাতীয় নগর–মহানগর নারী ও শিশু রাজধানী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো। রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও সমতা অর্জনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। এসময় ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমঅধিকারের নিশ্চয়তা দেন ও নারীর ক্ষমতায়ন সুসংহত করেন। এরই ধারবাহিকতায় জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে রোল মডেল সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘের ৭৫তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী ২০৪১ সাল নাগাদ কর্মস্থলে নারীর কর্মসংস্থান ৫০:৫০ উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ এবং এর এজেন্সি ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, ইউএন উইমেন ও ইউএনএফপি আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ছয়টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্প জেন্ডার সমতা, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, বাল্যবিয়ে বন্ধ এবং কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জাতিসংঘের গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের জেন্ডার রেস্পন্সিভ কোস্টাল অ্যাাডাপ্টেশন প্রকল্পটি উপকূলীয় এলাকার নারীদের জীবিকায়ন, সুপেয় পানির নিরাপত্তা ও অভিযোজন দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিদায়ী আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দীর্ঘ কূটনৈতিক সুসম্পর্কের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে বলেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে চার বছরের কর্মকাল তার জীবনে উজ্জ্বল স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি ঢাকায় অবস্থানকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, ইউএন উইউমেন কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিভ গীতাঞ্জলী সিং ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *