শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সালথায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় লবনপানি নিয়ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নবগঠিত নগর বিএনপির কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রামে আনন্দ মিছিল পুলিশ সুপারের সাথে নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সৌজন্য সাক্ষাৎ দশমিনায় কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক শারমিন ফাতেমাকে এমটিভি পরিবারের অভিনন্দন মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে হবে: লাবু চৌধুরী এমপি ফেনীতে ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও লেহেঙ্গা জব্দ নগরকান্দার যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের সাথে এমপি লাবু চৌধুরীর মতবিনিময় ভোগান্তির আরেক নাম পাইকগাছার সোলাদানা খেয়াঘাটঃ যুগযুগ ধরে অবহেলিত! নান্দাইলে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ারোসহ গ্রেফতার-১৫ চিনি বেশি খাচ্ছেন, এই সব লক্ষণই কিন্তু বলে দেবে মাদক নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাজুন্নেছা আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক তুরাগে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন ডাকাত গ্রেপ্তার জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করার ক্ষেত্রে সকলের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত – পরিকল্পনামন্ত্রী সালথায় পাট উৎপাদনে খরচের তুলনায় বাজারে দাম কম: দুশ্চিন্তায় চাষিরা কুড়িগ্রামের আরিফুর রহমান সুমন ওয়ার্ল্ড গেমস-২০২৫ র‌্যাংকিং ৮ম এ কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বার্মিজ পাইথন প্রজাতির অজগর সাপ অবমুক্ত পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারি সমিতির সাথে সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামানের মতবিনিময় দশমিনায় কৃষি মেলার শুভ উদ্বোধন ও অনুদানের চেক বিতরণ সম্পন্ন নান্দাইলে ৩৮৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথা থানার ফায়েজুর রহমান কাপ্তাই অনূর্ধ্ব (১৭) ফুটবল খেলায় বালক বিভাগে কাপ্তাই ও বালিকা বিভাগে রাইখালী ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন পাইকগাছায় মৎস্য আড়ৎ আধুনিকায়নে বরাদ্দ প্রায় ৪ কোটি টাকা কোটা ও পেনশন আন্দোলন সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছি : কাদের এইচএসসির আইসিটি পরীক্ষায় বহিষ্কার ৭৬, অনুপস্থিত ১২ হাজার ৮২৯ বিয়েশাদি নিয়ে ভাবছি না, কোনো রিলেশনেও নেই : দীঘি ‘১০০ ভাগ ফিট না থাকলেও মেসি খেলবে’

মার্কিন নতুন ভিসা নীতি কর্তৃত্ববাদের নয়া হাতিয়ার

ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩, ৫:০৮ অপরাহ্ন
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। (ছবি সংরক্ষিত)

জার্মান ভাববাদী দার্শনিক হেগেল-এর মতানুসারে রাষ্ট্রের বিরোধিতা করার অর্থ হলো প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তির প্রকৃত ইচ্ছার বিরোধিতা করা। হেগেলের এই বক্তব্যের মধ্যে কর্তৃত্ববাদী তত্ত্বের ধারণা নিহিত আছে। ইংরেজ ভাববাদী দার্শনিক বোসাংকেত (Bosanquet) ও অনুরূপভাবে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্র যে-কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এবং রাষ্ট্র এককভাবে সকল পরিস্থিতির পর্যালোচনা করতে এবং তদনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এই বক্তব্যের মধ্যেও কর্তৃত্ববাদের প্রতিধ্বনি স্পষ্ট।

চরম ক্ষমতা করায়ত্ত করা এবং সেই ক্ষমতাকে রক্ষা করা কর্তৃত্ববাদের মূল কথা। চরম ক্ষমতার উপর নিরঙ্কুশ আধিপত্য হল কর্তৃত্ববাদের মূল বিষয়। কর্তৃত্ববাদ অনুসারে চরম ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব কোন বিশেষ ব্যক্তি, কতিপয় ব্যক্তি বা কোন দলের হাতে থাকতে পারে না। যার বা যাদের হাতে এই চরম রাজনৈতিক ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে সে বা তারা হলো শাসক। সংশ্লিষ্ট শাসক, শাসকগোষ্ঠী বা শাসকদলের ইচ্ছাই হলো আইন। আইন ও শাসন সম্পর্কে শাসক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দল নিজের মতবাদ গড়ে তোলে।

কর্তৃত্ববাদ অনুসারে আইনের বৈধতা সম্পর্কে কোন রকম ক্ষমতা বা অধিকার অস্বীকৃত। আবার ক্ষেত্রবিশেষে এ ব্যাপারে সীমাবদ্ধ ক্ষমতা তত্ত্বগতভাবে স্বীকার করা হলেও, সেই ক্ষমতার প্রয়োগ যোগ্যতা থাকে না। রাজনৈতিক বিরোধিতার অধিকার কর্তৃত্ববাদে অস্বীকৃত। কর্তৃত্ববাদ অনুসারে রাজনীতিক বিরোধিতা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসাবে পরিগণিত হয়। এবং এ জাতীয় কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর পীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং দমন করা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীতে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সবসময়ই মরিয়া হয়ে থাকে। তারা চায় পৃথিবীর অন্যান্য স্বাধীন দেশগুলোতে কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরি করে দেশগুলোকে নিজেদের বলয়ে নিয়ে যেতে। সেই কর্তত্ববাদী প্রভাব তৈরিতে তারা গণতন্ত্রকে হাতিয়ার হিসেবে বছরের পর বছর ব্যবহার করে আসছে বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে। যেই গণতন্ত্রকে যুক্তরাষ্ট্র হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে সেই গণতন্ত্র তাদের নিজেদের দেশে কতটা কার্যকর তা ২০২২ সালে প্রকাশিত লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) গণতন্ত্র সূচক এ পরিষ্কারভাবে দেখা গিয়েছে।

সূচকে পাঁচটি মূল বিষয়ের আলোকে বিশ্বব্যাপী দেশগুলোর গণতন্ত্রের প্রকৃতি মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিষয়গুলো হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নাগরিক স্বাধীনতা। এগুলোর ভিত্তিতে সূচকে দেশ ও অঞ্চলগুলোকে চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা। এ সূচকে ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্রের দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নামও রয়েছে। সূচকে আগের বছরের চেয়ে চার ধাপ পিছিয়ে ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র বিভাগে ৩০তম স্থানে রয়েছে বাইডেনের দেশ।

সুতরাং যে দেশে গণতন্ত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই সেই দেশ গণতন্ত্রের নামে অন্য দেশের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা নিতান্তই উপহাস ছাড়া আর কিছুই নই। এছাড়াও এই বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হওয়া গণতন্ত্র সামিটে অংশগ্রহণ করা দেশগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক গণতন্ত্র সূচকে ৭৩ তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে ১০৭ তম অবস্থানে থাকা পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ করানোটা মূলত বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা বাস্তবায়নেরই একটা সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত।

যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের চরম শত্রু রাশিয়া এবং চীনের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চেয়েছে এবং চাচ্ছে। আর সেইজন্যই বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হাতিয়ার ব্যবহার করে আসছে। গত ৩ই মে,২০২৩ সালে বাংলাদেশের ব্যাপারে ঘোষিত মার্কিন ভিসা নীতি মূলত বিশ্বে তথা বাংলাদেশের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরির এক নতুন হাতিয়ার।

এতদিন গণতন্ত্রকে যেভাবে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন স্বাধীন দেশের উপর মার্কিন কর্তৃত্ববাদী প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে ঠিক তেমনি বর্তমানে বাংলাদেশের উপর ও বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা বিশেষ করে নতুন ভিসা নীতির মাধ্যমে তাদের কর্তৃত্ববাদী প্রভাব স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে জোড়ালোভাবে। বিশ্বে আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইরাক এইসব দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে যে গণতন্ত্রকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরি করতে গিয়ে তারা এসব দেশের মানুষের জীবনকে যুদ্ধময় করে তুলেছে। এখন তাদের লক্ষে পরিণত হয়েছে স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এবং গণতান্ত্রিক সূচকে দিন দিন সফলতার সাথে এগিয়ে চলা দেশকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান ভিসা নীতিকে নতুন এক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এই বাংলাদেশের উপর মার্কিন কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করার জোড় প্রচেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এদিকে নির্বোধ এবং বাংলার স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বিএনপি-জামায়াত প্রতিনিয়ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিত্তিহীন এই প্রচেষ্টাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে।

তারা যেমন ১৯৭১ সালে ধর্মের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের হাতে বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলো ঠিক তেমনি এখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী প্রভাবে ফেলে দিয়ে আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইরাক এসব দেশের মতো করে বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে দিতে চাচ্ছে। কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সাল থেকে ১৪ বছরের কঠোর পরিশ্রমে গড়ে তোলা সোনার বাংলায় কোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরি করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রায় ১৪ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলার মানুষ আজ তাদের বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে হারানো সব ধরনের স্বাধীনতা ও অধিকার ফিরে পেয়েছে, সব ধরনের অভাব এবং সন্ত্রাসী হামলামুক্ত জীবন পেয়েছে। বাংলার মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে যে বিএনপি-জামায়াত এর ফান্দে পড়লে তাদের ভোগান্তির শেষ হবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে এবং সমর্থনে নির্বাচিত সরকার, জনগণের ক্ষমতায় এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সরকার। সুতরাং গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে এবং ঘোষিত ভিসা নীতিকে নতুন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় মার্কিন কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরি করা কোনোদিন ও সম্ভব হবেনা।

১৯৭১ এ সকল শোষণ,অন্যায় এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলার মানুষ লড়াই করে যেমন দেশকে স্বাধীন করেছে ঠিক তেমনি আজও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বাংলার জনগণ সব ধরনের অন্যায়, অত্যাচার এবং শোষণের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ও যাবে।

আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের সরকার। সুতরাং জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের কল্যাণের ব্যাপারে তারা আপোষহীন। সর্বোপুরি, ভিসা নীতিকে কর্তৃত্ববাদের নতুন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের কর্তৃত্ববাদী প্রভাব তৈরির চেষ্টা করা নিত্যান্তবোকামি ছাড়া আর কিছুই নই।

লেখক : অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
ট্রেজারার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক চেয়ারম্যান ট্যুরিজম অ্যান্ড হস্পিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


এই বিভাগের আরো খবর