মুক্তির ৬ দিন পর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সেই মুন্নি

জাতীয় সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির পরিবর্তে কারাগারে ৩ বছর বন্দী থাকার পর মুক্তি পাওয়া সেই মিনু এবার চিরতরে মুক্ত হলেন।

গত ২৮ জুন ভোর পৌনে ৪টার দিকে বায়েজিদ-ভাটিয়ারী লিংক রোডের মহানগর সানমার গ্রিনপার্কের বিপরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান মিনু।

শনিবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় পুলিশের কাছে থাকা ছবি দেখে বোনকে শনাক্ত করেন মিনুর ভাই মো. রুবেল।

বায়েজিদ থানার উপ-পরিদর্শক নুর নবী বাংলানিউজকে জানান, ভোররাতে টহল দেওয়ার সময় থানা থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। আশপাশের লোকজন জানায়, ওই মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। পরে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, চমেক হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে আনজুমান-এ মুফিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। পরে জানা গেছে- ওই নারীর নাম মিনু।

মিনুর ভাই মো.রুবেল বাংলানিউজকে বলেন, মিনু আপা নতুন বাসা ভাড়া করে দিতে বলেছিল। কিন্তু বাসা ঠিক করে দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই অভিমান করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার মিনু আপা ছিন্নমূল এলাকা ঘুরে দেখেছেন। আমি মনে করেছি, হয়তো কারো বাসায় গেছে। তারপরও তার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে, খুঁজে পাওয়া যায়নি। মিনু আপার বড় ছেলে দোকান মালিকের সঙ্গে বাঁশখালীতে গেছে। ছোট ছেলে আমার সঙ্গে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার বিকালে পুলিশ এসেছিল আমাদের এলাকায়। তাদের কাছে ছবি দেখে মিনু আপাকে শনাক্ত করেছি।

মিনুর ছবি নিয়ে ওই এলাকায় যাওয়া বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খোরশেদ বাংলানিউজকে বলেন, মিনুর ভাইয়ের সঙ্গে শনিবার সন্ধ্যায় কথা হয়েছে। রোববার (৪ জুলাই) রাত ৯টার দিকে থানায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। ওসি মিনুর ছেলেদের সঙ্গে কথা বলবেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *