মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সূর্যমুখীর হাসি

সারাবাংলা

সোহেল রানা, শ্রীপুর থেকে:
গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে মাস্টার্স পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর সূর্যমুখী ফুল চাষে সাফল্য অর্জন। দূর থেকে দেখলে মনে হবে বিশাল আকারের হলুদ গালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কাছে গেলে চোখে পড়ে হাজার হাজার সূর্যমুখী ফুল। ফুলগুলো বাতাসে দোল খেয়ে যেন আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সৌন্দর্য উপভোগ করার। তাই দিনভর সূর্যমুখী বাগানে ভিড় করছে হাজারো মানুষ। কেউ ছবি তুলছে, কেউবা পরিবার পরিজন নিয়ে বাগানে এসে সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি পিকনিকের কাজটিও সারছেন।
সূর্যমুখী ফুলের মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্যটি দেখা মেলে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌর এলাকায় উত্তর পাড়া গ্রামে জামাল উদ্দিনের মেয়ে তাহমিনার বাগানে। এ খামারের দুই বিঘা জমিতে রোপন করা হয়েছে কয়েক হাজার সূর্যমুখী ফুলের বীজ। বর্তমানে বীজ থেকে প্রতিটি গাছে ফুল ফুটেছে। যা দেখতে দুর-দূরান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসছেন এখানে। দুপুরের পর থেকেই সূর্যমুখী বাগানে নানা বয়সী মানুসের মিলন মেলায় পরিণত হয়। সূর্যমুখী ফুলের এ বাগানটি এখন সৌন্দর্যপ্রেমীদের একমাত্র দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে হাজারো মানুষের ভিড়ে বাগানটির রক্ষনাবেক্ষন করতে গিয়ে হিমশীম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের। বাগানের কিছুটা ক্ষতি হলেও সৌন্দর্যপ্রেমীদের কথা চিন্তা করে জনপ্রতি প্রবেশ ফ্রি নির্ধারণ করেছেন মাত্র বিশ টাকা। তবে অনেকেই ফুল ছিড়ে ফেলার কারণে তারা অসন্তুষ্ট। কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর তারা পরীক্ষামূলক ভাবে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ শুরু করে। সূর্যমুখীর তেলকে জনপ্রিয় করতেই এ উদ্যোগ তাদের। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসেন আগ্রহী চাষীরা। পরামর্শ ও বীজ নিয়ে অনেকেই এখন সূর্যমুখীর আবাদ শুরু করেছেন। দিনকে দিন ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোতে চাষীরা ব্যক্তি উদ্যোগে সূর্যমুখীর আবাদ শুরু করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন সার্বিক সহযোগিতা পেলে সূর্যমুখি চাষে ব্যপকতা বৃদ্ধির আশা করেন শ্রীপুরের জামাল উদ্দিনের মেয়ে তাহমিনা আক্তার। সূর্যমুখী বীজ একটি লাভজনক শস্য। তাছাড়া সূর্যমুখী তেলের নানাবিধ স্বাস্থ্যগত গুনাগুন রয়েছে। সূর্যমুখী তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *