মোংলায় পশুর হাট জমজমাট

সারাবাংলা

মিজানুর রহমান, মোংলা থেকে:
পাঁচ দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আযহা। আর কোরবানির এই ঈদ মোংলা উপজেলা সবচেয়ে বড় পশুর হাট জমে উঠেছে। হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতা সবাই পশুর কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।সাধ্যের মধ্যে কোরবানির পশু কিনতে পেরে অনেকে হাসিমুখে বাড়ি ফিরছেন। অপরদিকে হাটে যাঁরা পশু নিয়ে এসেছিলেন, আজ (শুক্রবার) প্রথম দিন বিক্রি কিছুটা কম হলেও সামনের ৫ দিন ভালো বিক্রি হবে বলে অশাবাদি বিক্রেতারা। মোংলা উপজেলার চটেরহাট বাজারে পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়- গরু,ছাগল কিনে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা। অনেকে আবার গরুর চোখ কালো কাপড়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।বিক্রেতারা হাসিল ঘর পর্যন্ত গরু টেনে নিয়ে এসে টাকা বুঝে নিয়ে ক্রেতার হাতে তুলে দিচ্ছেন গরু। গত ২ সপ্তাহ ধরে কঠোর লকডাউন বৃহস্পতিবার শিথিলের এর কারণে ও বিরূপ আবহাওয়া ও বাজারের গবাদিপশুর হাটের অবস্থা বোঝার জন্য অনেকে বাজার ঘুরে দেখেছেন।ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে গবাদিপশু বেচাকেনা নিয়ে তেমন দর কষাকষি হতে দেখা যায়নি।এ বিষয় চটেরহাট বাজার কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল ইজারাদার বলেন, সরকারির নির্দেশনা মেনে করোনা এই দূর্যোগের কথা চিন্ত করে সকল কে মাক্স ছাড়া ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না,স্বাস্থবিধির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বাজার কমিটি। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতি ও দর-কষাকষি করে গরু-ছাগল বেচাকেনা চলছে। বিক্রেতারা বলছেন,দেশি গরুর চাহিদা বেশি। দামও লাখ টাকার ওপরে। তবে দাম একটু বেশি হওয়ায় তা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বেশিরভাগ ক্রেতারাই দেশি ও বিদেশি গরুর সংমিশ্রণে ক্রস প্রজাতির ও ছোট সাইজের গরু কেনার প্রতি ঝুঁকছেন।তবে অনেকেই পশুর দাম ও আর্থিক সঙ্গতির হিসাব মেলাতে না পেরে একাধিক হাটে ঘুরছেন।বিক্রেতারা বলছেন,এবার ভারতীয় গরু না আসায় দেশিয় ক্রস প্রজাতির গরু বেশি উঠেছে। গতবারের চেয়ে দামও একটু বেশি। দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতারা যেভাবে হাটে আসছেন তাতে শেষের দিকে গরু খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে ধারণা করছেন। তবে গরুর তুলনায় ছাগলের বিক্রি কম।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *