মোরেলগঞ্জে ৭২টি মণ্ডপে দুর্গাউৎসব : রং তুলিতে ব্যস্ত ভাস্কর

সারাবাংলা

এম. পলাশ শরীফ, মোরেলগঞ্জ থেকে : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সনাতন ধম্বাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। এবারে এ উপজেলায় ৭২টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দূর্গাউৎসব। আগামী ১৭ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে মর্তলোকে মায়ের বাড়িতে দোলায় চড়ে দূর্গা দেবীর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছে। তাই শেষ মুহূর্তে কারিগর রং তুলির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৭২টি মন্দিরে মন্দিরে সাজ সজ্জার কাজ চলছে ভাস্কররা রং তুলিতে ব্যস্ত। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি, সরকারিভাবে বরাদ্ধ প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫শ কেজি করে চাল পাচ্ছেন পূজার আয়োজকরা। গত বুধবার উপজেলা সভাকক্ষে এ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-৪, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশ।
এদিকে সরেজমিনে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বহরবৌলা, ঝান্টিপুর, পুটিয়া, বলভদ্রপুর, শ্রীপুর, জয়পুরসহ বিভিন্ন গ্রামের পূজা মন্ডগুলো ঘুরে দেখা গেছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এ সম্পর্কে চেয়ারম্যান রিপন দাস বলেন, শারদীয় দুর্গাউৎসবকে সামনে রেখে প্রতিবারের ন্যায় এবারেও এ ইউনিয়নটিতে সবচেয়ে বেশি পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি প্রতিটি মন্ডপে আয়োজক ও কমিটির নেতাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন।
মহামারী করোনায় ভাইরাসের প্রতিকূলতার মধ্যেও পূজারিদের এ উৎসব কোথাও কমতি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, শারদীয় দূর্গাউৎসবে এ উপজেলায় ৭২টি মণ্ডপের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্ধ এসেছে ৩৯.৫ টন চাল। প্রতিটি মণ্ডবের জন্য ৫শ কেজি করে চাল ইতোমধ্যে বিতরণ করা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুর্গাউৎসবকে সামনে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনসার-বিডিপি, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক দল মাঠে থাকছেন। সরকারি বরাদ্ধ ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *