যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন চান ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, বাম নৈরাজ্যবাদীদের প্রভাবে ‘ক্রিটিক্যাল রেইস থিওরি’ নামের এ বিষয়ে নতুন সব কথা বলা হচ্ছে। আমেরিকার কোনো গাত্রবর্ণের লোকজনই তাদের সন্তানদের এ শিক্ষা দিতে ইচ্ছুক হতে পারে না বলে তিনি মনে করেন।

সত্তর দশক থেকে আমেরিকায় ‘ক্রিটিক্যাল রেইস থিওরি’ (সিআরটি) নামের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন চলে আসছে। মার্কিন রাজনীতি, শিক্ষা, সমাজ সংস্কৃতিতে ধারাবাহিক বর্ণবৈষম্যের কারণ ব্যাখ্যা করে এর প্রতিকার চাওয়া হচ্ছে এ আন্দোলনের মাধ্যমে।
মার্কিন উদারনৈতিক লোকজন সমালোচনামূলক বর্ণবৈষম্য মতবাদ আন্দোলনের সমর্থক হলেও শ্বেতাঙ্গ রক্ষণশীলরা এর সমালোচনা করে আসছে। যুবক ও তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এ মার্কিন সামাজিক ও শিক্ষা আন্দোলন সাম্প্রতিক নাগরিক আন্দোলনের ভাবাদর্শ হিসেবে কাজ করছে আমেরিকায়।

নিউইয়র্ক টাইমস ‘১৬১৯ প্রজেক্ট’ নামের একটি ধারণা সমর্থন করে আমেরিকার শিক্ষাবিদ ও পণ্ডিতদের লেখা প্রকাশ করে থাকে। সেখানে বলা হয়, যে দিনটিতে আমেরিকায় দাসদের আগমন ঘটেছে, সেদিন থেকেই গণতন্ত্রের সংগ্রাম শুরু হয়েছে। বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ভাবাদর্শের শিক্ষা কারিকুলাম চালু করার বিস্তারিত ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, একজন শিক্ষার্থীকেও এমন ‘বিভেদ আর ভুলে ভরা’ শিক্ষা দেওয়া মানে মানসিক পীড়ন করা। একটি প্রজন্মকে এমন ভাবাদর্শের শিক্ষায় গড়ে তোলা একটি অস্বাভাবিক প্রয়াস এবং তা আমেরিকার জন্য আত্মহত্যার শামিল।

সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, বাম নৈরাজ্যবাদীরা চায় আমেরিকার লোকজন স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে পড়ুক। আমেরিকার মহান, উদার ও সহিষ্ণুতার চেতনা বিনষ্ট করতে পারলেই বাম নৈরাজ্যবাদীরা এ দেশের পুরো নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে পারবে।

ট্রাম্প বলেন, ‘দেরি হওয়ার আগেই আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এখনই বাম নৈরাজ্যবাদীদের এমন অশুভ প্রয়াস বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *