‘যুদ্ধকালীন মর্টার শেল কাটতে গিয়ে গাইবান্ধার বিস্ফোণ’

সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের একটি বসতবাড়িতে বিস্ফোরণে তিনজন নিহতের ঘটনাটির প্রথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে। ১৯৭১ সালের (যুদ্ধকালীন সময়) কিংবা তার পূর্বের পরিত্যক্ত মর্টার শেল কাটতে গিয়ে বিস্ফোণের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তদন্ত শেষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনের পরিবারের সাথে কোনো জঙ্গি, সন্ত্রাসী, অন্তর্ঘাত বা নাশকতার কোনো সম্পর্ক নেই বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। ঢাকা থেকে বোমা বিশেষজ্ঞ টিম এই মর্টাল শেলের বিভিন্ন অংশ নিয়ে পরীক্ষা করছেন। পরীক্ষা থেকে আমরা বিস্তারিত জানাতে পারব।

বুধবার বিকেলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে যান তিন-চারজন অপরিচিত ব্যক্তি। এর কয়েক মিনিট পরই বিকট শব্দে বিস্ফোরণে ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। এ ঘটনায় তিনজন মারা যান।

নিহতরা হলেন, কাসেম প্রধানের ছেলে বাড়ির মালিক বোরহান উদ্দিন (৩৬), একই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে অহেদুল মিয়া (৩৮) ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিড়াডাঙ্গা গ্রামের রানা মিয়া।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত বোরহান উদ্দিনের পরিবারের চার নারী ও অজ্ঞাত একজনসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় হতাহতের পাশাপাশি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশও তৎপর হয় ঘটনা তদন্তে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *