রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চিত্রকর্ম নষ্ট হচ্ছে

সারাবাংলা

পলাশ চাকমা, রাঙ্গামাটি থেকে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বাষির্কী উপলক্ষে রাঙ্গামাটি শহরের হ্যাপির মোড়ের এলাকায় বিশাল দেওয়াল জুড়ে নেওয়া হয়েছিল সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ। সৌন্দর্য বাড়াতে দেয়াল জুড়ে আঁকা হয় বঙ্গবন্ধুর স্বৃতি বিজড়িত এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নানা চিত্রকর্ম। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই সব চিত্রকর্ম এখন নষ্ট হওয়ার পথে।

দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী স্বাধীনতার নানা কর্মগুলোকে শিল্পীর রং তুলির মাধ্যমে তুলে ধরা হয় নতুন প্রজম্মের জন্য। এসব দেয়ালে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের চিত্রকর্ম। কোথাও কোথাও স্বাধীনতা অর্জনের ঐতিহাসিক সেই দলিলের চিত্র। নতুন প্রজম্মকে দেশের স্বাধীনতা অজর্নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেয়ালে দেয়ালে। এভাবেই নানা আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষকে পালন করা হচ্ছে।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী, পথচারী, পর্যটকরা জানিয়েছেন লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালিকা এবং স্বাধীনতা অর্জনের ঐতিহাসিক বিষয়গুলো শিল্পীর চিত্রকর্মে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এসব চিত্রকর্ম যেমন নতুন প্রজম্মের জন্য ইতিহাস জানার আগ্রহ বাড়ছে তেমনি ইতিহাসসম্বলিত এসব দেয়ালিকা দেশের এবং এলাকার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব ইতিহাস ও সৌন্দর্যর চিত্রকর্মের দেওয়াল জুড়ে জমেছে শ্যাওলা। তাই স্থানীয় প্রশাসন এবং পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া জরুরী।
এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম বলেন, এই চিত্রকর্মগুলো সোনার বাংলার কারিগর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের ইতিহাস বহন করে। মহান এই কারিগরের চিত্রকর্মগুলোর এমন অবহেলা মোটেও কাম্য নয়। তিনি বলেন, আমি দেখেছি রাতের বেলা লাইট জ্বালিয়েও চিত্রশিল্পীদের কাজ করতে। তাহলে এই কষ্টের ফল কি শূন্য? পথচারী পার্থ সাহা বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু ও ইতিহাসকে তুলে ধরতে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়, তবে নষ্ট হয়ে যাওয়া দুঃখজনক। তারাও এ বিষয়ে সুনজর দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *