রাজনীতিতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে হবে : ওবায়দুল কাদের

রাজনীতিতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে হবে : ওবায়দুল কাদের

জাতীয় রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজনীতিতে মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তারা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি মেধাশূন্য হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, চরিত্রবানরা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি চরিত্রহীনদের হাত চলে যাবে।

আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে তরুণদের কর্মদক্ষতা ও কর্ম-পরিকল্পনা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মসূচি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ শনিবার সকালে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

তারুণ্যের শক্তিকে রাষ্ট্র নির্মাণে কাজে লাগাতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন উল্লেখ করে এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদার এবং ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধের কাজ করছে।

যারা এখনো তরুণদের পেট্রোল বোমা, আগুন সন্ত্রাস ও উগ্র সাম্প্রদায়িকতার পথে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের এসব নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। এ সময় ছাত্র রাজনীতিকে সুনাম ও ঐতিহ্যের ধারায় ফিরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওবায়দুল কাদের।

তরুণ প্রজন্ম আজ মাদক, সাইবার অপরাধ, আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক দিকসহ নানান চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রযুক্তি যেমনই বদলে দিয়েছে, তেমনই এর ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। একদিকে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে হবে, অপরদিকে এর নেতিবাচক দিক থেকে তরুণদের সুরক্ষা করতে হবে।

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব বাস্তবতায় শেখ হাসিনার সরকারের দেওয়া সুযোগ সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণ-তরুণীদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে এবং ক্যারিয়ার গড়তে প্রতিটি পরিবারের পাশে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, জাতি আজ লোডশেডিংয়ের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে সেবা খাত। প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুযোগ-সুবিধা এখন বিশ্বমানের। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রগতির চলমান ধারায় বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদ আজ আলোয় ঝলমল করছে।

সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ এই দেশের উন্নয়ন ও ইমেজকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে সে বিষদাঁত আজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা ও আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সিআরআইয়ের সদস্যরা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *