শনিবার ২১শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাজপথ দাবড়ে বেড়াচ্ছে অটোরিকশা-ইজিবাইক

অক্টোবর ৫, ২০২০

টোকেনকার্ড বিক্রিতে শক্তিশালী সিন্ডিকেট

এসএম দেলোয়ার হোসেন
উচ্চ আদালত, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও মেয়রের নির্দেশ উপেক্ষা করেই রাজধানী ঢাকার দুই সিটি এলাকার রাজপথসহ পাড়া-মহল্লা দাবড়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ইজিবাইক। দ্রুতগতির এসব ক্ষুদ্রযানে প্রতিনিয়তই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। গ্যারেজে গ্যারেজে রাতভর চলছে ব্যাটারি চার্জিংয়ের নামে সরকারি বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদে দলীয় নেতৃবৃন্দের ছত্রছাঁয়ায় থেকে ক্ষুদ্র এ যানের মালিক-চালকরা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। দুর্ঘটনার কবলে পড়া এসব যানের মালিক-চালকরা গরিবের দোহাই দিয়ে হরহামেশাই পার পেয়ে যাচ্ছে। মানছে না ট্রাফিক নির্দেশনাসহ আইনের কোনো বিধি-বিধান। রাস্তায় চলাচলের অনুমতি প্রদান হিসেবে একটি পাসকার্ড বা টোকেনকার্ড অটোরিকশা মালিক-চালকদের ধরিয়ে দিয়ে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। ব্যাটারিচালিত এসব ক্ষুদ্রযান পুলিশ প্রশাসনের চোখের সামনে ঘুরে বেড়ালেও তা বন্ধে কোন উদ্যোগই নিচ্ছে না থানা বা ট্রাফিক পুলিশ। এসব যানে মাসিক ভিত্তিক টোকেনকার্ড বিক্রিতে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। বিভিন্ন সময় ফুল, পশু-পাখি ও ফলের ছবিযুক্ত টোকেনকার্ড গাড়িতে লাগিয়ে মাসিক হাজার টাকায় ৪ থেকে ৬ থাকা এলাকায় অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে চালকরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা আর ট্রাফিক পুলিশও নিয়মিত মাসোহারা নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে মাসোহারার বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ বলছে, মাঝেমধ্যেই অভিযান চালিয়ে এসব যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় পুলিশি ঝামেলা এড়াতে ক্ষুদ্র এ যানগুলো প্রধান সড়কে না উঠে লুকিয়ে লুকিয়ে পাড়া-মহল্লার অলিগলি পেরিয়ে মূল সড়কের সংযোগস্থলে বা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ব্যাটারি বা ইঞ্জিনচালিত এসব যানবাহন বন্ধে আজ সোমবার থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হচ্ছে। ডিএসসিসি’র বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।


সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পাড়া-মহল্লার দ্রুতগতিতে চলছে এ যান। প্রধান সড়কেও চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা। পায়ে চালিত রিকশা-ভ্যানের সঙ্গে মোটর যুক্ত করে তাকে বানানো হয়েছে অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। বিদ্যুতে চার্জ হওয়া এসব অবৈধ অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ইজিবাইক এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজধানী ঢাকার দুই সিটির বিস্তীর্ণ জনপদ। অবৈধ এসব ক্ষুদ্রযান বন্ধে সরকারিভাবে দফায় দফায় নির্দেশনা দেওয়া হলেও কেউ তা আমলে নিচ্ছে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও ঢাকা দক্ষিণ এবং উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় দিনের পর দিন এসব যানবাহনের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এসব ক্ষুদ্র যান দিনভর নগরীর বিভিন্ন সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের পর মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বিভিন্ন গ্যারেজে নিয়ে ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়া হচ্ছে। গ্যারেজগুলো বাণিজ্যিক হিসেবে কাগজে-কলমে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। আবাসিকের সংযোগ নিয়েই দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র এসব যানে ব্যবহৃত ব্যাটারির চার্জ। এক্ষেত্রে একদিকে চলছে বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব, অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল অংকের রাজস্ব।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সংখ্যা কমপক্ষে ১৭ লাখ। এর মধ্যে ১০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান। বাকি ৭ লাখ ইজিবাইক। আর ঢাকায় এসব যানবাহনের সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। এর মধ্যে ১০ লাখ রিকশা বাকি ২ লাখ ইজিবাইক রয়েছে। রাজধানী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বেড়িবাঁধ, হাজারীবাগ, রায়েরবাগ, মানিকনগর, বাসাবো, মুগদা, খিলগাঁও, মান্ডা, নন্দিপাড়া, রামপুরা, ইসলামবাগ, ধানমন্ডি, কামরাঙ্গীরচর, সোয়ারিঘাট, বাবুবাজারসহ সকল এলাকায়ই অবাধে চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক। কামরাঙ্গীরচরের বিস্তীর্ণ জনপদে ৬৬৮টি অটোরিকশা-ভ্যানের গ্যারেজ রয়েছে। সবমিলিয়ে এসব গ্যারেজে অন্তত ২২ হাজার অটোরিকশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পায়ে চালিত একাধিক রিকশার মালিক জানান, রিকশা এমন একটি বাহন, যা ধীরগতির। এ বাহনের একটি ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে বদলে ফেলা হচ্ছে এ বাহনের সবকিছু। পায়ে চালিত রিকশা-ভ্যানের সঙ্গে মোটর যুক্ত করে তাকে বানানো হয়েছে অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। এসব অটোরিকশা, ভ্যান ও ইজিবাইক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে স্ট্যান্ড আর টোকেন বাণিজ্যের শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এসব স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ‘লাইনম্যান’। মূলত নিয়ন্ত্রণকারীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকলেও লাইনম্যানরা ইজিবাইক স্ট্যান্ডগুলোতেই দায়িত্ব পালন করে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ টাকার চাঁদা তুলছেন। যারা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে অটোরিকশা ও ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে লাইনম্যানরা মূলত বেতনভুক্ত। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছাঁয়ায় ‘লাইন খরচ’ নামে প্রকাশ্যেই চাঁদা তোলেন লাইনম্যানরা। লালবাগের নবাবগঞ্জ সেকশন বেড়িবাঁধ থেকে নিউমার্কেট রুটে চলাচল করে অন্তত দেড়শ ইজিবাইক। এসব যান চলাচলে নবাবগঞ্জের বিপ্লব নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ রুটে গাড়িপ্রতি দৈনিক ৪শ’ টাকা করে চাঁদা তোলেন লাইনম্যান পারভেজ। কামরাঙ্গীরচরের ২২ হাজার অটোরিকশার টোকেনকার্ড বিক্রি করে প্রতিমাসে ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে লালবাগের কিল্লারমোড় এলাকার গ্যারেজ মালিক ও ইতোপূর্বে অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়া সোহরাব ও রাজ্জাক মির্জা। অটোরিকশার টোকেন বিক্রি করেই সোহরাব এখন কয়েক’শ কোটি টাকার মালিক বলে জানা গেছে। চলতি মাসের জন্য স্টবেরী ফলের ছবিযুক্ত কার্ড ছেড়ে ইতোমধ্যেই অটোরিকশার মালিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় এক কোটি টাকা। একইভাবে কামরাঙ্গীরচরে টোকেন কার্ড বিক্রি করে প্রতিমাসে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতারা। অপরদিকে লালবাগের বেড়িবাঁধে এসব যান চলাচলে থানা পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের টিআই শাহজাহান, ট্রাফিক সার্জেন্ট মাইনুল অটোরিকশা মালিক-চালকদের কাছে নিজেদের ভিজিটিং কার্ড বিতরণের মাধ্যমে গাড়িপ্রতি ১ হাজার টাকা করে মাসোহারা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন এসব যানে মালিক-চালকরা। অবৈধ এসব যান চলাচলে একই অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকার দুই সিটির বিস্তীর্ণ জনপদে।


অটোরিকশা চালকরা জানান, টোকেন কার্ড দিয়ে মাসে ১ হাজার টাকা করে নিয়ে যায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারাই থানা ও ট্রাফিক পুলিশসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করেন। যার ফলে ওই টাকা প্রদানের মাধ্যমে তারা ৪ থেকে ৬টি থানা এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাচল করেন।
রিকশামালিকরা জানান, একটি সাধারণ রিকশা তৈরিতে খরচ হয় ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। এরপর লাইসেন্স নিতে খরচ হয় প্রায় একই রকম। কিন্তু ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে তৈরি করা যায় একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা। তাতে নেই লাইসেন্স নেয়ার ঝামেলা। সহজে চালানো যায়। তাই অনেক সাধারণ মানুষও এসব রিকশা কিনে কারও হাতে ধরিয়ে দিয়ে পথে নামাচ্ছেন। এসব রিকশা সাধারণত ট্রাফিক পয়েন্টগুলো এড়িয়ে চলে। ট্রাফিক পুলিশের কাছে ধরা পড়লে এক থেকে দেড় হাজার টাকা খরচ হয় ছাড়িয়ে আনতে। অন্য এলাকার পুলিশ ধরলেও একই খরচ। তবে এলাকাভিত্তিক খরচের ভিন্নতা রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, ক্ষুদ্র এসব যান পাড়া-মহল্লা ছাপিয়ে রাজপথেও যেভাবে ভারি যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে দাবড়ে চলে তাতে দুর্ঘটনার শঙ্কা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে এসব বাহন। হতাহতের সংখ্যাও কম নয়। চালকরাও বয়সে অনেক ছোট।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে যখন আইন করে মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তখন এই সংখ্যা ছিল এর অর্ধেকেরও কম। আইন করার পর হাইকোর্টও এক আদেশে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পুলিশকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো নিষেধাজ্ঞাই আজও কার্যকর হয়নি। এরপর ২০১৮ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নছিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক বা অনুরূপ যান চলাচল বন্ধ করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, ট্রাফিক পুলিশের মাসিক ভিত্তিক মাসোহারা আদায়ের বিষয়টি সঠিক নয়, তবে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তারা আরও জানায়, সরু গলি দিয়ে চালকরা মূল সড়কের সংযোগস্থল বা গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। অটোরিকশা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশ রাস্তার মোড়ে মোড়ে দায়িত্ব পালন করছে। মাঝেমধ্যেই তা জব্দ করা হচ্ছে।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ব্যাটারি ইঞ্জিনচালিত অটোরিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক বন্ধে আজ সোমবার থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ এসব যন্ত্রচালিত ক্ষুদ্র যানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। গতকাল রোববার রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত এক দাপ্তরিক বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা দেন তিনি।
অভিযান পরিচালনা সম্পর্কে ডিএসসিসি’র প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন বলেন, ঢাকা শহরের যানবাহনে শৃঙ্খলা আনতে আজ সোমবার থেকে অবৈধ যন্ত্রচালিত রিক্সা-ভ্যানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র। অভিযানে যন্ত্রচালিত এসব অবৈধ রিকশা-ভ্যানকে ডাম্পিং করা হবে, সেই সঙ্গে জরিমানাও করা হবে। এই যান্ত্রিক যানগুলোর জন্য সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। দুর্ঘটনা থেকে নগরবাসীকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনা করার জন্য ইতোমধ্যেই ২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন। তিনি বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে যান্ত্রিক রিকশা ও যানবাহনের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর হতে ডিএসসিসি রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, টালিগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ির নিবন্ধন ও নবায়ন আবেদনের কার্যক্রম শুরু করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ডিএসসিসি এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি সেদিন ইঞ্জিনচালিত রিকশা বা ভ্যান সড়কে পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
নিবন্ধিত অযান্ত্রিক যানবাহন ছাড়া আর কোন অযান্ত্রিক যানবাহনকে ঢাকা শহরে চলাচল করতে দেওয়া হবে না জানিয়ে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস তখন বলেছিলেন, এরই মাঝে ডিএসসিসি এলাকার সড়কগুলোতে যানবাহনের কার্যকারিতা নিরুপণের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর ফলে কোন সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলবে, কোন সড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করবে, এগুলো আমরা নির্ণয় করব। এই নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরগতির যানবাহনগুলো নিবন্ধন ও নিয়মের আওতায়ও আনা যাবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
সর্বশেষ

গণকমিশনের ভিত্তি নেই, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা প্রতিদিন অনলাইন || আজ শুক্রবার (২০ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ২৭তম বার্ষিক সম্মেলন শেষে

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031