রাজশাহী মেডিকেলে আরও ৫ জনের মৃত্যু

জাতীয় লিড ১ সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে তারা মারা যান।

এদিন করোনার উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও পাবনার একজন করে প্রাণ হারিয়েছেন। আর করোনা নেগেটিভ হয়েও প্রাণ হারিয়েছেন নওগাঁর একজন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে চারজন এবং করোনা নেগেটিভ হয়েও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় আরেকজন মারা গেছেন। এই এক দিনে তিনজন মারা গেছেন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ)। এ ছাড়া ৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন।

এদিকে ২৪০ শয্যার করোনা ইউনিটে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিলেন ১২২ জন। এক দিন আগেও এই সংখ্যা ছিল ১২৪। বর্তমানে রাজশাহীর ৫৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৯ জন, নাটোরের ১৩ জন, নওগাঁর ১৫ জন, পাবনার ১২ জন, কুষ্টিয়ার ৩ জন, চুয়াডাঙ্গার একজন এবং সিরাজগঞ্জের একজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে করোনা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ২৫ জন। করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৭০ জন। করোনা ধরা পড়েনি ভর্তি ২৭ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন। এই এক দিনে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৩ জন।

এর আগে সোমবার রামেক হাসপাতাল ল্যাবে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ধরা পড়েছে ৬ জনের নমুনায়। একই দিনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে আরও ২৮৬ জনের। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১১ জনের। পরীক্ষার অনুপাতে রাজশাহীর ৪ দশমিক ২১ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ নমুনায় করোনা ধরা পড়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি সেপ্টেম্বরের এই ২১ দিনে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ১২৮ জন। এর মধ্যে করোনায় ৪১ জন, করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ৭৮ জন এবং করোনা নেগেটিভ সত্ত্বেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ৯ জনের মৃত্যু হয়।

এর আগে গত আগস্ট মাসে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৭৪ জন। এর মধ্যে করোনায় ১৫৪ জন, করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ১৮৬ জন এবং করোনা নেগেটিভ সত্ত্বেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *