রাজস্থলী : মিলেছে মাথা গোঁজার ঠাঁই

সারাবাংলা

পলাশ চাকমা, রাঙ্গামাটি থেকে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ব্যাপী দুঃস্থ পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের-২ আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ ডিজাইনের ঘর নির্মানের ফলে সুখের নীড়ে বসবাস শুরু করেছে দূর্গম পার্বত্য রাজস্থলী উপজেলার ৩১ জন দুস্থ অসহায় পাহাড়ী-বাঙ্গালী পরিবার। সবুজ পাহাড় পর্বতে ঘেড়া অভাব অনটনের সংসার, সুখের নীড়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে যেন পরম আনন্দে ভাসছে এ পরিবার গুলো।
রাজস্থলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের জীবন মান উন্নয়নে ২০১৮-২০২০ দুই অর্থ বছরে দেশ ব্যাপী দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মান প্রকল্পের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্টি দরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের বিশেষ ডিজাইনের ঘর নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করেন। এতে রাজস্থলী উপজেলার ৩১টি হত দরিদ্র অসহায় দুস্থ পরিবারের ২ কক্ষ বিশিষ্ট ঘর পাশে একটি রান্নার রুম ও ১টি টয়লেড, ১টি করিডোর এবং বারান্দা বিশিষ্ট টিন সেট ঘর নির্মান করা হয়। প্রতিটি ঘরে সরকারের বরাদ্দ কৃত টাকা ব্যয় হয়েছে ২,৯৯,০০০ টাকা। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আশ্রয়ন ২ প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য এলাকায় বিশেষ ডিজাইনের ঘর নির্মান প্রকল্পে রাজস্থলী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি (উপজাতীয় সম্প্রদায়ের জন্য) ০৭টি পরিবারে পেয়েছে বিশেষ ডিজাইনের ঘর। নমূনা অনুসারে ৩ বেডরুম, ১ কিচেন, ১ বারান্দা, ১৯ ফুট লম্বা গোসলখানা, টয়লেড বিশিষ্ট আরসিসি পিলারে টিন সেট, প্রতিটি ঘরের জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৪,৩৭,০০০ টাকা বলে উপজেলা এলজিডি অফিস সূত্রে জানা যায়।
বিশেষ ডিজাইনের ঘর নির্মান প্রকল্পে উপকারভোগীদের মধ্যে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নবাসী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, কোনদিন ইট, রড, সিমেন্ট দিয়ে এ ঘর বানানো সম্ভব হতো না, মহান সৃষ্টিকর্তা প্রধানমন্ত্রীর কৃপায় তিনি আমাকে সুন্দর একটি ঘর উপহার দিয়ে অসাধারন ভুমিকা রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও তাঁর শুভ কামনা করছি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইতিমধ্যে দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মান প্রকল্পে ২৪ পরিবার এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মান প্রকল্পে ক্ষুদ্র নৃ-জাতি গোষ্টির ৭ পরিবারকে সুবিধা দিতে পেরেছি। এসব দরিদ্র অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলো এখন সুখের নীড়ের অভিযাত্রী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ ছাদেক বলেন, এ পর্যন্ত দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মানএ রাজস্থলী উপজেলার তৃণমুলের ৩টি ইউনিয়নে মোট ৩১টি দুস্থ অসহায় ও দরিদ্র পরিবারকে এই সুখের নীড়ে ঠাঁই দিতে পেরেছি। এটা সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *