রামেক হাসপাতালে ১৬ দালাল আটক

সারাবাংলা

রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও লক্ষীপুরের আশেপাশের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রোগী ধরা নারীসহ ১৬ জন দালালকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপুরে নগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশ ও লক্ষীপুর পুলিশ বক্সের যৌথ অভিযানে ওই ১৬ জন দালালকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হড়গ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার মৃত মোজাহারের ছেলে জালাল উদ্দিন (৫০), আলীগঞ্জ নতুন পাড়া এলাকার তাজেমুল ইসলামের ছেলে মিঠুন (২৫), নগরীর ভাটাপাড়া এলাকার ইসমাইলের স্ত্রী রজনি আক্তার (২৪) , আলীগঞ্জ এলাকার গাফফারের স্ত্রী আসমা বেগম (৪০), নগরীর লক্ষীপুর কাঁচাবাজার এলাকার সেলিম রেজার ছেলে মনোয়ার হোসেন জিম (২৬), কাজিহাটা এলাকার মৃত মোসলেমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৫৫), লক্ষীপুর এলাকার মৃত আব্দুর রাকিবের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৫৭), পুঠিয়া উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মৃত সহিজ উদ্দিনের ছেলে আবু সাইদ (৫৯) ও নগরীর হড়গ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার খেজাম উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০)।
জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রধান চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে কেন্দ্র করে আশেপাশের এলাকায় শতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এসবের বেশিরভাগই দালাল নির্ভর প্রতিষ্ঠান। যারা দালালের মাধ্যমে হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করায়। অনেক প্যাথলজির পরীক্ষার রিপোর্ট নিম্নমাণের হওয়ার কারণে চিকিৎসকরা দেখেন না। এ জন্য রোগীদের দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করতে হয়।
প্রতারণা করে কম টাকায় পরীক্ষা করে দেয়ার কথা বলে দালালরা হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেয়ার কাজ করে। হাসপাতালের ইনডোর ও বহির্বিভাগে দালালদের রোগী ধরার বিষয়টি বহু পুরোনো হলেও অনেক চিহ্নিত দালাল গ্রেফতার হয় না। কিন্ত সোমবার থানা পুলিশের অভিযানে রামেক হাসপাতাল ও আশেপাশের কিèনিক-ডায়াগনস্টিকের সামনে থেকে নারীসহ ১৬ জন দালালকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ওষুধের ফার্মেসীরও দালাল রয়েছে। যারা কম দামে ওষুধ দেয়ার কথা বলে ফার্মেসীতে নিয়ে গিয়ে বেশি টাকা আদায় করে।
নগরীর রাজপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদি হাসান বলেন, দালালি করার অভিযোগে রামেক হাসপাতাল ও আশেপাশের ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের সামনে থেকে নারীসহ ১৬ জন দালালকে আটক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *