লকডাউনেও পশুর হাট

সারাবাংলা

রুহুল আমিন হারুন, ইসলামপুর থেকে:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম মোরশেদ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নাগরিকদের সচেতন করতে বিভিন্ন সভাসমাবেশ করলেও লকডাউন বাস্তবায়নের লেশমাত্র নেই জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায়। চলমান কঠোর লকডাউনে উপজেলা প্রশাসনের পরোক্ষ দদদে পরশু হাট চলার সত্যতা মিলছে। গতকাল শুক্রবার বিকালে উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের নাপিতেরচর বাজারে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাপ্তাহিক ওই গরু হাট পরিচালনা করেন গাইবন্ধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শান্ত। লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন তৎপর থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ওই গরু হাটটিতে। গরু হাটটি তিল ধারণের জায়গায় নেই ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণে। স্বাস্থ্য সচেতনতা কারো মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়নি। এ বাজারে হুমড়ি খেতে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের। কেউই মানছে না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি। হাটের ইজারাদার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জানান, ‘আমি ইউএনও স্যারকে বলে হাট চালিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হাট পরিচালনা করা হয়েছে।’ স্থানীয় আক্রাম হোসেন, নজরুল ইসলাম, আবেদ আলী, আবুল হাসতেম, লুৎফর, মিস্টারসহ অনেকেই জানান, প্রতি শুক্রবার দুপুরে নাপিতেরচর গো-হাটটি বসে আসছে। এতে আশেপাশের উপজেলাগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মোরশেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ না করে তার ফোন বন্ধ করে রাখেন। ফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি তাই তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক মোর্শেদা জামান বলেন, ‘নাপিতেরচর গরু হাট বসার তথ্য আমার জানা নেই। সব ধরণের পশুর হাট আগেভাগেই বন্ধ করে দিয়েছি। বিষয়টি আমি দেখছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *