লকডাউনের দশম দিনে রহনপুরে স্মরণকালের লকডাউন

সারাবাংলা

আব্দুল বাশির, গোমস্তাপুর থেকে:
কঠোর লকডাউনের তৃতীয় ধাপে লুকোচুরি করে দোকানপাট খুলছিল, রাস্তায় যানবাহন চলছিল, মানুষজনের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশাসনের নজরদারি তেমন ছিল না বললেই চলে। লকডাউনের দশম দিবসে ঘটলো বিপত্তি। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ডঃ হুমায়ন কবীর গোমস্তাপুরে আসবেন এ সংবাদ গতকাল রোববার এলাকায় প্রচার হয়। এ দিকে উপজেলা প্রশাসন রোববার এলাকায় মাইকিং করে জানিয়ে দেয়, রোববার বিকেল ৩ টা থেকে  সোমবার সারাদিন ঔষুধ দোকান ব্যতীত সবকিছুই বন্দ থাকবে। ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদেরও বলে দেয়া হয় বাস্তবায়নের জন্য। ঘোষনা মোতাবেক রহনপুরে সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এমনকি মুদিদোকান, কাচাবাজার, মাছ,মাংসের আড়ত সব বন্দ রয়েছে। রহনপুরের ঐতিহ্যবাহী সোমবারের হাটের কোন অস্তিত্ব নেই। রাজনৈতিক দলের হরতাল, অবরোধ এর সময়ও এমনটি চোখে পড়েনা। সবখানেই যেন সুনশান নীরবতা। রহমতপাড়ার নুর মোহাম্মদ বাজারে গিয়েও নিত্যপন্য পাননি। সবাই বলাবলি করছেন, এভাবে যদি লকডাউন বাস্তবায়ন হতো তো করোনা খুজে পাওয়াই যেত না। রহনপুর শিল্প ও বনিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ ফারুক হোসন বলেন, মূলতঃ সোমবারের হাট বন্দ করতেই প্রশাসনের অনুরোধে এ ব্যব¯হা নেয়া হয়েছে। তবে সোমবার পার হলে কাঁচা বাজার ও মুদি দোকান চালু হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, লকডাউন বাস্তবায়নের অংশ হিসাবেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবারের হাট চালু থাকলে মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন লক্ষনই থাকেনা। মানুষ যাতে সচেতন হয় সে দিকেই নজর দিতে হবে সকলকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আইন অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৭ জনকে ৩৮০০ টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *