লালবাগের বেড়িবাঁধজুড়ে অবৈধ স্থাপনা-দোকানপাট

জাতীয়

এসএম দেলোয়ার হোসেন : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নাম ভাঙিয়ে রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগের নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলে এমনকি ‘হলি ডে’ মার্কেটের নামে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে লাখ লাখ টাকার চাঁদা তোলা হচ্ছে। স্থানীয় একটি চক্র থানা-ফাঁড়ি পুলিশ ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলদের ম্যানেজ করে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার সকাল-সন্ধা দোকান বসিয়ে হকারদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে চাঁদার টাকা তুলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না থাকলেও স্থানীয় সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র সহস্রাধিক হকার বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। হকাররা বলছেন, চাঁদা না দিলে এখানে কাউকে দোকান বসতে দেয় না ফুটপাত নিয়ন্ত্রণকারী কথিত নেতা জাকির, রাসেল, মোকলেস, শাকিল, অটোশাহীন, বাসেদ ও সাগরসহ তাদের অনুসারিরা। তারা আরও বলছেন, ফুটপাতের চাঁদার টাকায় জাকির লালবাগে দু’টি বহুতল ভবন তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী বিএনপি নেতা শাকিল ও সিরাজ তালুকদার গড়ে তুলেছেন বিশাল অট্টালিকা আর প্লট-ফ্ল্যাট। স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশ ও ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত থাকলেও অজ্ঞাত কারণেই ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফুটপাতের দোকান বসানোর নেপথ্যে লাখ লাখ টাকার চাঁদা উত্তোলন আর ভাগ-বাটোয়ারা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ ডিএসসিসি-পাউবো কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তবে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরান ঢাকার ব্যস্ততম বেড়িবাঁধে হকার বা কোনো ধরনের দোকানপাট বসানোর জন্য কাউকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। পুলিশ বলছে, আগে এসব দোকান বসলেও এখন আর তা বসতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ বসলে বা চাঁদাবাজি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি,২০২১) লালবাগের বেড়িবাঁধ এলাকা সরেজমিন ঘুরে হকারসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন পুরান ঢাকার লালবাগের নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধ ঘিরে দিনের পর দিন চলছে অবৈধ দখলের মহোৎসব। এছাড়া সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার ‘হলি ডে’ মার্কেটের নামে ব্যস্ত এ সড়কের একপাশের ফুটপাতে দোকান বসিয়ে বাণিজ্য করে আসছে স্থানীয় একটি চক্র। ২ থেকে ৫ ফুটের জায়গায় চৌকি বা পলিথিন বিছিয়ে নানা ধরণের নিত্যপণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন হকাররা। দোকান প্রতি শ্রেণিভেদে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছে ওই চক্রটি।

https://www.dhakaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/01/Lalbagh-Dhaka-Protidin-ঢাকা-প্রতিদিন-2.jpg

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক হকার জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নাম ভাঙিয়ে কথিত ‘হলি ডে’ মার্কেট খুলে বেড়িবাঁধের ফুটপাতে সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার বসানো হয় বিভিন্ন নিত্যপণ্যের সহস্রাধিক দোকান। এই মার্কেটটি ক্রেতা-বিক্রেতা সবার কাছে মঙ্গলী মার্কেট বা মঙ্গলী মেলা নামেই বেশি পরিচিত। এই মার্কেটটি নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের অনুসারি ও স্থানীয় ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুকবুল হোসেনের আস্থাভাজন নবাবগঞ্জ পার্ক সংলগ্ন চুনাওয়ালা গলির বাসিন্দা ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয় দানকারী জাকির। তিনিই ফুটপাতে কাকে বসাবেন, আর কাকে বসাবেন না, তা নির্ধারণ করে দেন। ২ থেকে ৫ ফিট দোকান বসালে দোকান প্রতি শ্রেণিভেদে ৩শ থেকে ৬শ টাকা হারে চাঁদা দিতে হয়। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বসতে দেওয়া হয় না। বেড়িবাঁধের মঙ্গলী এ মার্কেটে প্রতি সপ্তাহে ৫শ থেকে প্রায় ১১শ হকার বসে বেচাকেনা করেন। দোকান চলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। বেচাবিক্রি হোক আর না হোক দুপুরের দিকেই প্রতি দোকান থেকে দৈনিক চাঁদার টাকা তুলে নেয় জাকির, রাসেল, বাসেদ, মোকলেস, মাহাবুব, শাকিলসহ স্থানীয় আরও বেশকিছু নেতাকর্মী। চাঁদার এ টাকা উত্তোলন শেষে মঙ্গলবার রাতেই নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন তারা। চাঁদার একটি অংশ পৌঁছে দেওয়া হয় লালবাগ বিভাগের ডিসি’র কার্যালয়ে, লালবাগ থানায় এবং নবাবগঞ্জ সেকশন পুলিশ ফাঁড়িতে। এছাড়াও চাঁদাবাজিতে রয়েছে টহল পুলিশ ও আনসার সদস্যদের অপতৎপরতা। এদিকে নবাবগঞ্জ ক্লাববাড়ির মদনার ক্ষেত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ঢালে ত্রিপল ও তাবু টাঙিয়ে বাঁশ-খুঁটির ঘর তৈরি করে গড়ে তোলা হয়েছে ফার্ণিচার মার্কেট। এ মার্কেটে রয়েছে অর্ধশতাধিক দোকানপাট। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিত্যক্ত এ জমিতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এসব দোকান ঘর তুলে ব্যবসায়ীদের কাছে মাসিক গড়ে দোকান প্রতি ১০ হাজার থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ভাড়ায় দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, ইতোপূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে অবৈধ দখলদারদের নামের তালিকা করে প্রথমে নোটিশ প্রদান করেন। ওই নোটিশেও দোকান না সরানোয় গত বছরে দু’দফা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালিয়েছে সংস্থাটি। এরপর সীমানা নির্ধারণ করে পিলার স্থাপন করলেও কয়েকদিন না যেতেই রাতের আধারে সেই সীমানা পিলার সরিয়ে রং তুলির দাগ মুছে আগের জায়গায় ফিরে এসেছে অবৈধ দখলদাররা। অপরদিকে পুরান ঢাকার লালবাগবাসীর পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ডিএসসিসি-পাউবোর যৌথ উদ্যোগে নবাবগঞ্জ বাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের স্লুইচ গেট সচল ও দখল-দূষণমুক্ত রাখতে চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকেই সীমানা পিলার বসিয়ে তাঁরকাটার বেড়া দেওয়া হয়। কিন্তু অবৈধ দখলদারদের দখল পাকাপোক্ত করতে ক্রেতা ও মালামাল আনা নেওয়ার প্রবেশমুখ খোলা রেখে যায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। জানা গেছে, ওই তাঁরকাটার বাউন্ডারির ভেতর থাকা বিএনপি নেতা শাকিল ও অটোশাহীনের প্রায় ২০টি ফার্নিচার দোকান রয়েছে। এর বিপরীতে রয়েছে কামরাঙ্গীরচরের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কথিত নেতা মো. সিরাজ তালুকদারের রিকশা-ভ্যান রাখার গ্যারেজ। এসব গ্যারেজ ও ফার্ণিচার দোকান থেকে প্রতি মাসে লাখ টাকার ওপরে ভাড়া তুলে নেয় শাকিল, শাহীন, সিরাজ তালুকদার। ক্ষতি এড়াতে তারা ৩টি প্রবেশমুখ রেখে চারপাশে তাঁরকাটার বেড়া নির্মাণে ঠিকাদারকে ঘুষ দেন প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আর এতেই অবৈধ দখলদার শাহীন, শাকিল ও সিরাজের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফার্ণিচার মার্কেট ও রিকশা-ভ্যান গ্যারেজগুলো উচ্ছেদের পরিবর্তে পুরোপুরিই সুরক্ষিত হয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই চাঁদার টাকায় তারা গাড়ি-বাড়ি, আর প্লট-ফ্ল্যাটের মালিক বনে গেছেন।

https://www.dhakaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/01/Lalbagh-Dhaka-Protidin-ঢাকা-প্রতিদিন-3.jpg

ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা জানান, তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা জামানত দিয়ে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভাড়ায় এসব দোকান চালাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে থানা ও ফাঁড়ি পুলিশ ঝামেলা করে। কিন্তু থানা ও ফাঁড়ি পুলিশের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে প্রতিমাসে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হয়। পুলিশের ঝামেলার বিষয়টি দেখেন স্থানীয় প্রভাবশালী ফার্ণিচার ব্যবসায়ী সাগর। তারা জানায়, প্রতি দোকান থেকে সাগরই চাঁদার টাকা তুলে লালবাগ থানা ও ফাঁড়ি পুলিশের নিকট পৌঁছে দেন। এখানে মাসিক ভাড়া ১ লাখ টাকা মূল্যমানের জায়গায় সাগরের দু’টি ফাণিচারের দোকান রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফার্নিচার মার্কেট থেকে আদায়কৃত অর্থের মধ্যে লালবাগ থানায় ৩০ হাজার টাকা ও নবাবগঞ্জ সেকশন পুলিশ ফাঁড়িতে ১৫ হাজার টাকা মাশোহারা দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়রা ঢাকা প্রতিদিনকে আরও জানান, পুরান ঢাকার লালবাগের বেড়িবাঁধটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত লালবাগ-কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের লোকজন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। সপ্তাহের প্রতিদিন যেমন-তেমন। কিন্তু মঙ্গলবার এলেই নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধ পশুর হাটে পরিণত হয়। ব্যস্ত এ সড়কে নিত্যপণ্যের হাজারো দোকানপাট বসানোয় প্রতি মঙ্গলবারই হাজারো নারী-শিশু পণ্য কিনতে ভিড় করছে এই সড়কে। এতে অনেকসময় রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে কেউ খোঁয়াচ্ছে টাকা-কড়ি, মোবাইল সেট। এর আগেও ঢাকা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লালবাগ বেড়িবাঁধের ফুটপাত দখল-চাঁদাবাজির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণেই নির্বিকার রয়েছে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পুলিশ ও ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত থাকলেও অজ্ঞাত কারণেই ফুটপাত উচ্ছেদে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিধি অনুযায়ী ফুটপাতে দোকান বসালে মামলা দেওয়ার কার্যাদেশ রয়েছে। অথচ থানা বা ফাঁড়ি পুলিশও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মূলত ফুটপাতের দোকান বসানোর নেপথ্যে লাখ লাখ টাকার চাঁদা উত্তোলন আর ভাগ-বাটোয়ারাই দোকান বসাতে উৎসাহ দিচ্ছে অবৈধ দখলদার ও ফুটপাত নিয়ন্ত্রণকারীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ ডিএসসিসি-পাউবো কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় এ অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। অচিরেই ব্যস্ততম এ সড়ক থেকে ফুট দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে আইনের যথাযথ প্রয়োগের বিকল্প নেই বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে রেড়িবাঁধের ফুটপাত নিয়ন্ত্রণকারী নেতা জাকির ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, এখানে ফুটপাতে দোকান বসানোর জন্য ডিএসসিসি’র মেয়র তাপস ভাইসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এবং লালবাগের ডিসি অফিস ও থানার অফিসার ইনচার্জসহ ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছি। তাই সিটি করপোরেশনের নামেই প্রতি দোকান থেকে নির্ধারিত চাঁদা তোলা হয়। চাঁদার কিছু অংশ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। কবে অনুমোদন দিয়েছে, এবং অনুমোদনের কাগজ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে জাকির বলেন, কাগজপত্র না থাকলে কি আর কেউ বসতে দিত। তা দেখতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাকে কেন দেখামু, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই সবকিছু পরিচালনা করছি। আপনি পারলে মেয়রের কাছে গিয়ে বিস্তারিত জানেন।

https://www.dhakaprotidin.com/wp-content/uploads/2021/01/Lalbagh-Dhaka-Protidin-ঢাকা-প্রতিদিন-4.jpg

ফুটপাতের এসব দোকানের বিষয়ে জানতে চেয়ে লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব বিজয় তালুকদার ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে এম আশরাফ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আগে দোকান বসানো হতো। এখন আর কাউকে সেখানে বসতে দেওয়া হয় না। পুলিশের অগোচরে কেউ বসতে পারে। তবে কেউ দোকান বসালে বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ডিএসসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে তিনি ডিএসসিসি’র মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে যোগাযোগ করা হলে বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, শুধু বাবুবাজার এলাকায় পরিবহন থেকে নির্দিষ্ট হারে টোল আদায়ের ইজারা দেওয়া হয়েছে। ফুটপাতের বিষয়টি ডিএসসিসি’র প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা দেখভাল করেন। এ রিপোর্ট লেখাপর্যন্ত ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, লালবাগের নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধে দোকান বসানোর জন্য অনুমোদন চেয়ে ডিএসসিসি কার্যালয়ে একটি আবেদন জমা পড়েছিল। কিন্তু ব্যস্ততম ওই সড়কে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে সেখানে কাউকে কোন দোকান বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি বলেই সংযোগটি কেটে দেন ডিএসসিসি’র শীর্ষ এই কর্মকর্তা। অপর এক প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে ফের কয়েকদফা ফোন করা হলেও তিনি তা আর রিসিভ করেননি।

দেশবিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *