শয্যাশায়ী জনি বাঁচতে চায়

সারাবাংলা

খলিল মাহমুদ, সিংড়া থেকে:
স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী জসিম উদ্দিন জনি বাঁচতে চায়। সে সিংড়া পৌরসভার মহেশ্চন্দ্রপুর গ্রামের মো. আলেপ আলীর ছেলে। স্ট্রোক করে ৮ বছর যাবৎ চলাফেরা করতে পারে না এবং কথাও বলতে পারেনা সে। জনির মা-বাবা বসতবাড়ি ব্যতিত সকল জায়গা-জমি বিক্রি করে যথাসাধ্য চিকিৎসা করেছেন তাতেও সুস্থ হয়নি। ৩৩ বছর বয়সী এ যুবকের জীবন একসময় স্বাভাবিক ছিল। সাইকেল, রিক্সা-ভ্যান মেরামতের মেকার ছিল সে। শস্যাশায়ী হওয়ায় এক কন্যা সন্তান রেখে স্ত্রীও চলে গেছেন। জমি বিক্রি করে ২০১৫ সালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পথে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে প্রায় ৪০ হাজার টাকা দালাল চক্রের খপ্পরে পরে খোয়া যায়, ব্যর্থ হয়ে পরে ফিরে আসতে হয় জনিকে। পরবর্তীতে টাকার ব্যবস্থা না হওয়ায় আর উন্নত চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এতে করে প্রায় এক লক্ষ টাকা প্রয়োজন। জসিম উদ্দিন জনি ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে এ প্রতিবেদককে জানায়, স্ট্রোক করে ৮ বছর যাবৎ শয্যাশায়ী তিনি। শুধুমাত্র তার চিকিৎসার খরচ জোগাতে ভিটে-মাটি ছাড়া সকল জমিজমা বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে খুব অসহায় জীবন-যাপন তার। স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে সরকার ও বৃত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল আউয়াল রিংকু জানান, আমরা সবসময় তার পাশে আছি। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। সিংড়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, তাকে যথাসাধ্য চিকিৎসার খরচ ও ওষুধ ক্রয় করে দেওয়া হয়। আগামীতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন পৌর মেয়র। জনিকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা : বিকাশ নং ০১৭০১-৯৫০৯০৮ পার্সোনাল।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *