শিবচরে পাট ক্ষেতে কিশোরী ধর্ষণ ॥ গ্রেফতার ১

সারাবাংলা

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:
মাদারীপুর জেলার শিবচরে পাট ক্ষেতের ভিতরে নিয়ে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা হওয়ার এক ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক শাহজামাল মালকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষক শাহজামাল ধর্ষনের বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। মামলার বিবরনে জানা যায়, উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের চরবাচামারা গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় বাবনাতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থী গত ৪ জুলাই বিকেলে দূর সম্পর্কের আত্বীয় এক কিশোরের সঙ্গে নিজেদের এলাকায় ঘোরোফেরা করছিল। তারা দুজন একটি পাট ক্ষেতের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একই গ্রামের মো: রাজা মালের ছেলে শাহজামাল মাল তাদের পথরোধ করে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা কিশোরকে চড় থাপ্পর মেরে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। ওই স্কুল শিক্ষার্থী এসময় চলে যেতে চাইলে ধর্ষক শাহজামাল মাল ওই শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে পাশের পাট ক্ষেতে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষনের বিষয়টি কাউকে বললে প্রানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় শাহজামাল। শাহজামালের ভয়ে ঘটনার পরদিনই ওই শিক্ষার্থী একই ইউনিয়নের ফেলু হাজীর কান্দি গ্রামে তার খালা বাড়ি চলে যায়। গত ৬ জুলাই বিকেলে ধর্ষক শাহজামাল ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি গিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা আছে বলে তার পরিবারের কাছে জানায়। মেয়েটি বাড়ি না থাকায় শাহজামাল চলে যায়। ওই দিনই মেয়েটির বাবা তার খালা বাড়ি থেকে তাকে আনতে গেলে সে বাড়ি ফেরার কথা শুনে কাঁদতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী ধর্ষনের বিষয়টি তার পরিবারের লোকদের জানায়। পরে মঙ্গলবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে শিবচর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চরবাচামারা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ধর্ষক শাহজামালকে গ্রেফতার করে দুপুরে মাদারীপুর জেল হাজতে প্রেরন করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষক শাহজামাল ধর্ষনের বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
শিবচর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো: মিরাজ হোসেন বলেন, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর এক ঘন্টার মধ্যেই আসামী শাহজামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীকে মাদারীপুর জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষনের বিষয়টি আসামী স্বীকার করেছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *