শেষ ওভারে নাটক জমলেও ভাগ্য বদলায়নি পাকিস্তানের

খেলাধুলা

ডেস্ক রিপোর্ট :
ইংল্যান্ড সফরে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। তবে টি-টোয়েন্টিতে যেহেতু দল শক্তিশালী, তাই আশায় বুক বাঁধে পাকিস্তান। দুর্দান্ত শুরু পাওয়ায় বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় বাবর আজমদের। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতেও সময় লাগেনি। শেষমেশ তো ইংলিশদের কাছে সিরিজই হারতে হলো! তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষ ওভারে ম্যাচ জমিয়ে তুললেও হার এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। একই সঙ্গে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারও নিশ্চিত হয়েছে বাবরদের। ম্যানচেস্টারের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে স্কোর জমা করেছিল ১৫৪ রান। আগের দুই টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ড যেভাবে রান তুলেছিল, তাতে তাদের লক্ষ্যটা ছিল বেশ সহজ। কিন্তু কাজটা সহজ হয়নি। শেষ ওভারের নাটকীয়তার পর ২ বল আগে ৩ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ইংলিশরা। শেষ ওভারের সমীকরণ খুব যে কঠিন ছিল, তা নয়। ৬ বলে দরকার ছিল ৬ রান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এ আর এমন কী! তবে হাসান আলীর সামনে ঘাম ঝরিয়েই জয় নিশ্চিত করতে হয়েছে স্বাগতিকদের। শেষ ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইকে থাকা ইয়োন মরগান নেন ২ রান। কিন্তু পরের বলেই ইংলিশ অধিনায়ক বিদায় নিলে খেলায় নেয় নতুন মোড়। এরপর ক্রিস জর্ডান পরের দুই বলে দুটি করে ডাবল নিয়ে দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। রান তাড়ায় ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক অবশ্য জেসন রয়। এই ওপেনার ৩৬ বলে ১২ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস। শুরুতেই জয়ের ভিত গড়ে দেওয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেছেন ডেভিড মালান। জস বাটলার ও মরগান দুজনই করেন ২১ রান। পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ হাফিজ। ডানহাতি স্পিনার ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন ইমাদ ওয়াসিম, হাসান আলী, উসমান কাদির ও শাদাব খান। এর আগে আদিল রশিদের ঘূর্ণির সামনে মোহাম্মদ রিজওয়ান ছাড়া কেউ সুবিধা করতে পারেননি। পাকিস্তানি ওপেনার ৫৭ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কা করেন ৭৬ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান ফখর জামানের। ১৫* রান করেছেন হাসান আলী। বাবরের ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। রশিদ ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। আর একটি উইকেট শিকার মঈন আলীর।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *