সীমান্ত সমস্যার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকোর চুক্তি

আন্তর্জাতিক

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার সম্পর্ক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। মধ্য আমেরিকায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে মেক্সিকোয় গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। মঙ্গলবার মেক্সিকোয় দেশটির প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস ম্যানুয়েল ল্যাপেজের সাথে বৈঠক শেষে কমলা হ্যারিস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে দুই দেশ সবসময় একে অন্যের পাশে ছিল, এখনও আছে। এ সময় পুরো মধ্য আমেরিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়।

এদিকে মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসী প্রত্যাশিদের ভয়ঙ্কর মানবস্রোত মোকাবিলা করতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে। সীমান্ত সমস্যার মধ্যেই হলো এসব চুক্তি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ মানুষ মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। এটি গেল ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মানবস্রোত। শুধু গত তিন মাসেই ৫ লাখের বেশি মানুষ মেক্সিকো সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্টে প্রবেশের চেষ্টা করে।

মূলত জানুয়ারিতে জো বাইডেন দায়িত্ব নেয়াকে কেন্দ্র করে মেক্সিকান সীমান্তে অভিবাসী প্রত্যাশিদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। এদের ঠেকাতে রিতিমত হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিবাসী প্রত্যাশিদের ৮০ শতাংশেরও বেশি এসেছে মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সাল ভাদর থেকে।

তিনি হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আনছে। গুয়েতেমালা ও মেক্সিকো থেকে অবৈধভাবে কেউ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চাইলে প্রবেশমুখেই তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে।

তিন দিনের এ সফরে মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে করোনা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের টিকা সরবরাহ নিয়ে আলোচনা করবেন কমলা হ্যারিস। এরই মধ্যে গুয়েতেমালায় হাফ মিলিয়ন টিকা সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এমনকি সফর শুরু করার আগেই টিকা সরবরাহের বিষয়ে তিনি ওই দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *