সুনামগঞ্জে ১৩ বছরের শিশু কন্যাকে রাতভর ধর্ষণ

সারাবাংলা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
এক মাস আগে অভাব অনটনের সংসারে জীবিকার তাগিদে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হান্দরচর গ্রামের আবদুল খালেক তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বেতগঞ্জ বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। বাসার সামনে চায়ের দোকান খুলেন। দোকানের পেছনে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে কোনোমতে দিনযাপন করেন। গত ৩১ জানুয়ারী রাত সাড়ে ৮টায় পার্শ্ববর্তী রহমতপুর গ্রামের বিবাহিত লম্পট মো. আজাদ মিয়া (৩০) বেতগঞ্জ বাজারে পেছনের দরজা ভেঙে আবদুল খালেকের ঘরে প্রবেশ করে।
অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ওই কন্যা শিশুটিকে তুলে নিজ বাড়িতে এনে একাধিকবার ধর্ষণ করে লম্পট। গত সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে আদালত প্রাঙ্গণে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। শিশুর অনেক রক্তক্ষরণের ফলে সে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে থাকে। এক সিএনজি চালক এগিয়ে এসে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। সে এখন হাসপাতালের সাততলার গাইনি বিভাগের ১৮নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. সৈকত দাস জানান, রাতে ওই কন্যা শিশুটির অসহায় বাবা আরও কয়েকটি ছেলে তাকে নিয়ে হাসপাতালে আসে। এরপর তাদের বক্তব্য শুনে হাসপাতালে ভর্তি করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়। পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুর রহমান জানান, পুলিশ সংবাদ পেয়ে রাতেই শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়া হয় এবং অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *