সুন্দরগঞ্জে বর্ষালী ফলন ভালো না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

সারাবাংলা

জুয়েল রানা, সুন্দরগঞ্জ থেকে
বৈরি আবহাওয়া ও পোঁকা মাকড়রে উপদ্রবের কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজলোয় বর্ষালীর ( আউশ ধানরে) ফলন ভালো না হওয়ায় বিপাকে পড়েেছ উপজলোর কৃষকরা। ধান কাটা মাড়াইয়ের পর দেখা যাচ্ছে প্রতি বিঘা জমিতে ২ হতে ৩ হাজার টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে। যথা সময়ে বৃষ্টি বাদল না হওয়ায় ধানক্ষেতে ফলন বিপর্যয় হয়। উপজলো কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী চলতি মৌসুমে উপজলোয় ৮ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে বর্ষালী ধানরে চাষাবাদ হয়েছে। যা গত বছররে তুলনায় বেশি। এক জমিতে ক্রি-ফলা চাষাবাসে এখন কৃষকরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। সে কারণে বোরধান কাটার পর পরই র্বষালী ধানের চাষাবাদ করতে হয়। যথা সময় বৃষ্টি বাদল হলে র্বষালী ধানের ফলন ভাল হত। কিন্তু চলতি মৌসুমে বৈরি আবহাওয়ার কারণে যথা সময়ে বৃষ্টি বাদল না হওয়ায় ফলন ভাল হয়নি।
উপজলোর তারাপুর ইউনিয়নের চাচীয়া গ্রামের কৃষক ছলেমান মিয়া জানান, তিনি ২ বিঘা জমিতে বর্ষালী চাষাবাদ করেছেন। বৃষ্টি না হওয়ায় সেচ মটারের মাধ্যমে ক্ষেতে পানি দেয়া, বালাইনাশক প্রয়োগ, পরিচর্যা করা সবমিলে চারা রোপন থেকে শুরু করে কাটা মাড়াইয় পর্যন্ত যে খরচ হয়েছে, ধান বিক্রি করে সে খরচ উঠছে না। তিনি বলেন, প্রতিবিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৭ হতে ৮ হাজার টাকা। অথচ ধান বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ থেেক প্রতিবিঘায় ১ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে আমাদের।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ.কে.এম ফরিদুল হক জানান, অনেক জমিতে এখন ত্রি-ফলা চাষাবাদ হয়। তবে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে ফলন একটু খারাপ হয়েছে। যথা সময়ে বৃষ্টি বাদল হলে ফলন আরও ভালো হতো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *