স্বপ্নের ঠিকানা সাড়ে ৫৩ হাজার পরিবার

সারাবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট:
মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে নতুন ঘর পেল আরও সাড়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। গতকাল রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় ধাপের এসব পরিবারকে দুই শতক জমিসহ সেমি পাকা ঘর দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে শেখ হাসিনার উদ্যোগে ৫ কোটি টাকা দিয়ে এরই মধ্যে কভিড সহায়তা তহবিল তৈরি করা হয়েছে। কোনো মানুষ যেন গৃহহীন না থাকে সেই পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এই ট্রাস্ট থেকে ৫ কোটি টাকা দিয়ে গৃহনির্মাণ তহবিলের যাত্রা শুরু করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে এরই মধ্যে দুই শতাংশ জমির সঙ্গে ঘর পেয়েছে ভূমি ও গৃহহীন প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। মুজিববর্ষে কেউ গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে নাÑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এমন কার্যক্রম চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ১ লাখ পরিবারকে জমিসহ ঘর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নেওয়া হয় তাদের জীবন বদলের উদ্যোগ। ঢাকা প্রতিদিন- প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ বিস্তারিত তুলো ধরা হলো
বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরপরই  রোববার বেলা ১১টায় বাগেরহাট সদর উপজেলার ৮৮টিসহ জেলায় ৪৩৪টি পরিবারকে জমিসহ বসতঘর দেওয়া হয়েছে। জমির দলিল ও মালিকানার কাগজপত্র স্ব স্ব পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়। জেলা শহরের শালতলাস্থ জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে সদর উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন বরাদ্দ পাওয়া প্রতিটা ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে এ বসতঘর দেওয়া হয়। এসময় সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অর্থাৎ মুজিববর্ষের উপহার হিসাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘর উপহার দেন। যা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল এবং একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই আপনার প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মোদ মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া এ ঘর নির্মাণে শতভাগ স্বচ্ছতা রেখে উপজেলা প্রকৌশলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ প্রতিটা ইউপি চেয়ারম্যানরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ভূমিহীন ও গৃহহীন ক শ্রেনীর পরিবার পুনবার্সন কার্যক্রম ২য় পর্যায়ে বাগেরহাট জেলায় মোট ৬৪৫টি ঘরের বরাদ্দ পাওয়া যায়। যার মধ্যে ৪৩৪ টির নির্মাণ কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন হয়। বাকী ২২২টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ৫৩ হাজার ৩৪০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ দেওয়া (২য় পর্যায়) আশ্রয়ণ -২ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  রোববার বেলা ুসাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষ্যে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সকাল ১০টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুল কবিরের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেনÑ জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী আফিন্দী রাজু, জামালগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল সাত্তার, জামালগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. এরশাদ হোসেন, জামালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক এম নবী হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, উপকার ভোগী দেবল তালুকদার ও চায়না প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের মাধ্যমে চাবি হস্তান্তর করা হয় উপকার ভোগী সবার মধ্যে।
নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশের একজন মানুষ ও গৃহহীন থাকবে না সেøাগানে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে নওগাঁয় আরো ৫০২টি গৃহহীন পরিবার পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় নওগাঁয় ১১টি উপজেলায় এসব গৃহহীন পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল।  রোববার বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের ন্যায় নওগাঁতেও এসব ঘরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১১টা ৪০ মিনিটে একযোগে সারাদেশের উপকার ভোগীদের মধ্যে ঘরের চাবি, নামজারি দলিল তুলে দেওয়া হয়। এ উপলক্ষ্যে নওগাঁ সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেনÑ স্থানীয় সরকার বিভাগের নওগাঁর উপ-পরিচালক উত্তর কুমার রায়, সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম মামুন চিশতী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পর ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত পূবক, কবুলিয়ত ও নামজারি দলিল সহ ১১টি উপজেলার ৫০২টি উপকারভোগীদের হাতে এসব ঘর হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ঘরে দুইটি কক্ষ, একটি শৌচাগার, রান্নাঘর, কমন স্পেস ও একটি বারান্দা আছে। এসব গৃহ প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি গৃহ নির্মাণে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১০টি, বদলগাছী ৯টি, মহাদেবপুর ৭৬টি, আত্রাই ১০টি, রানীনগর ৩৩টি, মান্দা ২১টি, পত্নীতলা ১১৭টি, ধামইরহাটে ২০টি, পোরশা ৭১টি, নিয়ামতপুরে ৭৫টি, সাপাহারে ৬০টি গৃহহীন ও ভৃমিহীন পরিবার এসব ঘর পাবেন। এর আগে ২৩ জানুয়ারি জেলায় ১ হাজার ৫৬টি গৃহহীন ও ভৃমিহীন পরিবারের মধ্যে এসব ঘর করে হস্তান্তর করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতক জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের ৪৫৯টি উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব মানুষদের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে আমি স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে পারিনি। আমার পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, ডিসি এবং ইউএনও জমির দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেবেন। এর আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৬১৯ পরিবারকে দেওয়া হয়েছে নতুন বাড়ি বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ। গতকাল রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে বাড়ির চাবি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওদুদ, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ রুহুল আমিন, সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী, পুলিশ সুপার এ এইচ এম আব্দুর রকিব, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকিউল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তসিকুল ইসলাম তসি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আশরাফুল হক। নাচোল উপজেলা পরিষদ চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেবেন্দ্রনাথ উরাও।
বরিশাল ব্যুরো প্রধান জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালে ২১৭ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন দের মধ্যে ঘর ও জমি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবন থেকে ৪৯২টি উপজেলায় এক যোগে উদ্যোগী দপ্তর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে ৫৩ হাজার ৩ শত ৪০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বরিশাল জেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভ উদ্বোধনের সাথে সাথে তার পক্ষ থেকে বরিশাল সদর উপজেলায় জমি এবং ঘর হস্তান্তর করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল¬াহ, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক বরিশাল রেঞ্জ এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম, বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, বরিশাল পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনিবুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্না, বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মধু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমসহ মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। উলে¬খ্য, মুজিববর্ষে “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কাযক্রম চলমান রয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় সরকারি অর্থায়নে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথম পর্যায় বরিশাল জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১ হাজার ৫৫৬টি পরিবারকে জমি সহ নতুন নির্মিত গৃহ দিয়েছে সরকার। বরিশাল সদর উপজেলায় ১৫৭টি, বাকেরগঞ্জ ১২০টি, মেহেন্দিগঞ্জ ২৫২ টি, উজিরপুর ৭০ টি, বানারীপাড়া ২০০ টি, গৌরনদী ২০০ টি, মুলাদী ৩০০ টি, বাবুগঞ্জ ১৭০ টি, হিজলা ৫১ টি, আগৈলঝাড়া ৩৬ টিসহ মোট ১৫৫৬ টি গৃহ উপকারভোগীর নিকট হস্তান্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বরিশাল জেলায় ৫৪৯ টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য ঘরে নির্মাণ করা হচ্ছে। বরিশাল সদর ১০০, বাকেরগঞ্জ ৫০, বাবুগঞ্জ ১০, উজিরপুর ২৫, মুলাদী ৫০, মেহেন্দিগঞ্জ ৬৫, হিজলা ৫৯, গৌরনদী ২০, আগৈলঝাড়া ১৫, বানারীপাড়া ১৫৫ টি ঘর। ২ শতাংশ খাস জমি সহ ২ কক্ষ বিশিষ্ট প্রত্যেকটি ঘরের মোট আয়তন ২৯৪ বর্গফুট। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ও নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বাসস্থান নিশ্চিতকল্পে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে জমি সহ এই ঘর প্রদান করা হচ্ছে। ঘরের পাশে সবজী চাষ সহ আয় বর্ধক নানা সুযোগ সুবিধা থাকবে।
নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর শেথ হাসিনা আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নীলফামারীতে ২য় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘরের চাবি ও একখন্ড জমির মালিকানা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার সকালে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশব্যপী ২য় পর্যায়ে ৫৩হাজার ৩৪০টি পরিবারে মধ্যে জমির মালিকানা ও ঘরের চাবি প্রদানের মাধ্যমে এর শুভ উদ্ধোধন অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে সুবিধাভোগী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের উপস্থিতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সাথে সাথে নীলফামারীতে ১২৫০টি সুবিধাভোগী পরিবারের মধ্যে ঘরের চাবি ও একখন্ড জমির মালিকানা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) লিজা বেগম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আকতার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, উপজেলা মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান শান্তনা চক্রবর্তী, ভাইস চেয়ার‌্যাম দীপক চক্রবর্তী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান, বিভিন্ন ইউয়িন পরিষদের চেয়ারম্যান, মুিক্তযোদ্ধা ও সুধিজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ধোধনী ঘোষনার পর সদরের খোকশাবাড়ী ইউনিয়নে ২য় পর্যায়ে সুবিধাভোগীদের মধ্যে ঘরের চাবী ও জমির মালিকানা তুলে দেন। এর আগে ১ম পর্যায়ে নীলফামারী জেলায় ৬৩৭টি পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরণ করা হয়। চলমান আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ২য় পর্যায়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২১.৭০ একর সরকারি খাস জমি চিহ্নিত করে অবৈধ দখলমুক্ত করে এতে ঘর নির্মান করা হয়েছে সৈয়দপুরে ৬০টি, কিশোরগঞ্জে ১৭০টি, ডোমারে ৩০০টি, ডিমলায় ২০০টি, জলঢাকায় ৩০০টি ও সদরে ২২০টি। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যায় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। হস্তান্তরকৃত ঘর বংশানুক্রমে তারা বসবাস এবং ভোগদখল করবেন। এছাড়া রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেনশ, জল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহারÑ এই সেøাগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার ৬৬৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল একক গৃহ দলিল ও ঘরের চাবি। গতকাল রোববার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে উক্ত দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তরের উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানজিল্লুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এম.এম মাহমুদুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ জোহরা প্রমুখ। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের মোট ৫৩ হাজার তিনশ’ ৪০টি ভূমিহীন পরিবার জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হয়।
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি জানান, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের কাছে দ্বিতীয় ধাপে নতুন ঘর বিতরণ কর্মসূচি মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় ১৫ জনসহ মোট পাঁচশ ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহার দিয়েছেন স্বপ্নের নিজস্ব ঠিকানা। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় ধাপে ভূমিহীন, গৃহহীন এসব পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমি পাকা ঘর দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করার পরপরই নবীনগর উপজেলার ১৫টি পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমি পাকা ঘরের দলিলপত্র তুলে দেন নবীনগর উপজেলা প্রশাসন। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হাসান, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি জালাল উদ্দিন মনির, নবীনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, নারী ভাইস চেয়ারম্যান শিউলী রহমান, নবীনগর থানার ওসি আমিনুর রশিদ প্রমুখ।
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ দেওয়ার কার্যক্রমের (২য় পর্যায়) উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে  রোববার বেলা সোয়া ১১টায় উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে ২৫টি ঘর উপকারভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিধবা ও প্রতিবন্ধীসহ অসহায় ও বয়স্ক মানুষ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাসলিমা মোস্তারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি। তিনি উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২৫টি পরিবারের হাতে ঘরের চাবি ও দলিল তুলে দেন। পরে এডিবির অর্থায়নে স্কুল শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ সমাজসেবা অধিদফতরের অর্থায়নে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে দেশের ৬৯ হাজার ৯০৪টি গৃহহীন পরিবারের মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সেবার শ্রীপুরে ২০টি গৃহহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার পেয়েছিল। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, ভাইস চেয়ারম্যান মাহতাবউদ্দিন, পৌর মেয়র আলহাজ্ব আনিসুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুন্নাহার মেজবাহ, উপজেলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মুহিতুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হিমু প্রমুখ।
মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি জানান, ফরিদপুর জেলার মধুখালীতে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে দি¦তীয় ধাপে ভূমি ও গৃহহীনদের মধ্যে ৪০ জন পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমি ও ঘর।  রোববার বেলা ১১টায় ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করেন। পরে মধুখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে জমির দলিল ও ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে জমির দলিল হস্তান্তর করেন ফরিদপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আটিসি ও শিক্ষা) মো. সাইফুল কবির। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তফা মনোয়ার মনোয়ার, মধুখালী পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ মুরাদুজ্জামান মুরাদ, মোর্শেদা আক্তার মিনা, পৌর মেয়র খন্দকার মোরশেদ রহমান লিমন প্রমুখ। উপজেলার মেগচামী, রায়পুর ও গাজনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৪০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ২০টি ঘর নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বাকি ২০টি ঘরে ২ লাখ টাকা করে।
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি সহ সেমিপাকা ঘর উপহার দেওয়া কার্যক্রমের ২য় পর্যায়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। কটিয়াদী উপজেলায় ২য় পর্যায়ে ৩৩ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে এসব সেমিপাকা ঘর দেওয়া হয়।  রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সারাদেশ ব্যাপী একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব সেমিপাকা ঘর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতিশ^র পাল। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ আমজাদ হোসেন, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এসএম শাহাদাত হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুজ্জামান অপু, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন মিলন প্রমুখ।
হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহারÑ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে ২য় পর্যায়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য জমি ও গৃহ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষ্যে  রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এর আয়োজন করা হয়। উপজেলার ১৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে জমির দলিল ও গৃহ হস্থান্তর করা হয়। হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহেল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু বকর সরকার, পুলিশ স্টেশনের ওসি শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহবুবুল হক, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোবারিছ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বেগম শাহিন প্রমুখ।
ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে (২য় পর্যায়) জমি ও গৃহ উপহার দেওয়া হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহ দেওয়া অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষ্যে ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেনÑ স্থানীয় সাংসদ ছোট মনির, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম অ্যাডভোকেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল রনী, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, আলিফনুর মিনি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি শাহ্আলম প্রামাণিক প্রমুখ। উপজেলার ১০টি গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ১০টি ঘরের দলিল হস্তান্তর করা হয়।
গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সারাদেশে একযোগে জমি ও গৃহ উপহার দেওয়া কার্যক্রমের (২য় পর্যায়) উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে  রোববার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. লিয়াকত আলী সেখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান, গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন রেজা, রহনপুর পৌর মেয়র মতিউর রহমান খাঁন, গোমস্তাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার নজির, জেলা পরিষদ সদস্য হালিমা খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান নুহু, মাহফুজা খাতুন, গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান. গোমস্তাপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সভাপতি কাউসার আহমেদ সাগর প্রমুখ। উল্লেখ্য, বরাদ্দকৃত ৩০০ টি বাড়ির মধ্যে ১৭০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে বাড়ীর জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়। অবশিষ্ট বাড়িগুলো নির্মাণাধীন রয়েছে।
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, দেশে থাকবে না ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে জমিসহ পাকা বাড়ি পাচ্ছেন দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো। এই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার বেলা ১১টায় ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্থানীয় পাবলিক হলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনাড়ম্বর পরিবেশে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন শেষে সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি, জমির দলিল, মাঠ পর্চা, দাখিলা, ডিসিআর তুলে দেন উপজেলা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিরা। স্বাধীনতার ৫০ বছরে দরিদ্র কবলিত বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানোর প্রত্যয় গ্রহণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এ দেশের মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার। বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত পরিকল্পনা এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ, তারই ধারাবাহিকতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের গৃহহীন এবং ভূমিহীন মানুষদের মাথা গুজার ঠাঁই করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন।
অঙ্গীকার করেছিলেন, ভূমিহীন থেকে নাম মুছে দেয়ার। আজ সেই স্বপ্নের দ্বীতিয় ধাপ বাস্তবায়ন হলো তার ঘোষণার মাধ্যমে। গৌরীপুর উপজেলার ২৫টি ভূমিহীন পরিবারের নিকট ভূমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মারুফ এর সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ হেলাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, রামগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন জনি, উপজেলা প্রকৌশলী আবু সালেহ মোঃ ওয়াহেদ প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, সহনাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মান্নান, বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাগণ, সাংবাদিক ও সুবিধাভোগীরা। এ বিষয়ে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মারুফ জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীর নামে ২ শতাংশ সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক কবুলিয়ত দলিল রেজিস্ট্রেশন, নামজারি সম্পন্নকরণ ও গৃহ প্রদানের সনদ সুবিধাভোগীদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদুর রহমান জানান ২য় ধাপে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নে ১০ জন, ২নং গৌরীপুর ইউপিতে ০৮ জন, সহনাটি ০২ জন, মইলাকান্দা ০১ জন ও মাওহা ইউনিয়নে ০৪ জনকে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান ৮টি ঘর বৃষ্টির কারণে মাটি নরম থাকায় নির্মান করা হয়নি, তবে দ্রুত ঘরটি নির্মান করার ব্যবস্থা করা হবে।
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ১৩৫টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমির দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।  রোববার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সাংসদ নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আবু রাসেল, ভাইস চেয়ারম্যান আলাল শেখ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আক্তার লিপি,জেলা আ.লীগের সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরকার এমদাদুল হক মোহামদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী প্রমুখ। অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, নাটোর জেলার মধ্যে নাটোর-৪ আসনে (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) প্রথম ধাপে ১১২টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ৩০১টি ঘরসহ সর্বমোট ৪১৩টি ঘর ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ করা হলো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আর্দশ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরে গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য দেন তিনি।
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন ‘ক’ শ্রেণির ৮০ উপকারভোগীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়েছে। ‘আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীনদের ঘর প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের পর এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে গৃহহীন পরিবারের হাতে এ দলিল তুলে দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের হলরুমে তাদের হাতে এ দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান সুমন।
লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি জানান, ভোলার লালমোহনে ২য় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জমি ও গৃহ পেয়েছেন ২০ পরিবার। লালমোহনে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম ২য় পর্যায় এর উদ্বোধন করা হয়েছে।  রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে সরাসরি সারা দেশে এক সঙ্গে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে ২শতক জমি ও ঘর প্রদান উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে লালমোহন উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত লালমোহন উপজেলা পরিষদের হলরুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ লালমোহন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ফকরুল আলম হাওলাদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসান রিমন প্রমুখ।
মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ২৫টি ভূমিহীন পরিবার তাদের নিজস্ব দৃষ্টিনন্দন বসত ঘর ও জমির মালিকনা বুঝে পেয়েছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন এসব ঘরের চাবি ও কবুলিয়ত দলিল সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেন। এর পূর্বে সকলে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও করফারেন্সে এসব ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা ছাবুল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. দিলদার হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় প্রমুখ। একই প্রকল্পের আওতায় মোরেলগঞ্জে আরও ১৩৬টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে।
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি জানান, জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক উপজেলার ৩০জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে বাড়ির চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন জয়পুরহাট-১ আসনের সাংসদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডঃ সামছুল আলম দুদু এমপি। এ উপলক্ষ্যে  রোববার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের হলরুমে দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরমান হোসেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল শহিদ মন্ডল মুন্না, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম এম আশিক রেজা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন মন্ডল, উপজেলা আ.লীগ সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক মন্ডল, থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স শেষে উপজেলার ৩০ জন ভূমিহীন, অসহায় ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে শেখ হাসিনার দেওয়া বাড়ির চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়।
পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় মুজিববর্ষের উপহার উপলক্ষ্যে ২য় পর্যায়ে ভূমিহীন-গৃহহীন আরও ১০০ পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় ভিডিও কলের মাধ্যমে দেশব্যাপি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম প্রামানিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিদ কায়সার রিয়াদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল মোমেনিন মোমিন, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর ডিজিএম এহতেসামুল হক অনেকে। এদিকে সরকারি বরাদ্দের ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হাবড়া ইউনিয়নের আরজি মরনাই আবাসনের ইউসুফ, শিউলী বেগম। প্রথম পর্যায়ে ২৬২টি ও আজ দ্বিতীয় পর্যায়ে পার্বতীপুরে মোট ১০০ পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়।
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর ২য় ধাপে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার ২০০ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পবিবারকে ঘরের চাবি ও জমির কবুলিয়ত দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে আবাসন উদ্বোধনের ঘোষনা দেওয়ার পর ফুলবাড়ী উপজেলায় গৃহহীন ২০০টি আবাসন মালিকদের হাতে ঘরের চাবি ও জমির কবুলিয়ত দলিল হস্তান্তর করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন। এসময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ হায়দার আলী শাহ, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বাবুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মোসাম্মৎ কানিজ আফরোজ, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জু রায় চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নীরু সামসুন্নাহার, পৌর মেয়র মো. মাহামুদ আলম লিটন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুজিববর্ষের সেরা উপহার। ধন্যবাদ মানবতার জননী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে “আশ্রয়ন-২” প্রকল্পের আওতায় ১ম পর্যায়ে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় মোট ৭৬৯টি গৃহ নির্মাণের বরাদ্দ আসে এবং পরবর্তীতে ২য় পর্যায়ে আরও ২০০টি ঘরের বরাদ্দ পাওয়া যায়। এছাড়াও “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আদিবাসিদের জন্য ৩০টি ঘরের বরাদ্দ এবং উপজেলা পরিষদের নিজস্ব বরাদ্দ হতে আরও ২টি ঘরের বরাদ্দসহ সর্বমোট এ উপজেলায় ১০০১টি ঘরের বরাদ্দ আসে। ঘর বরাদ্দ পাওয়া ২০০ টি পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সের সাথে সমন্বয় ঘরের চাবি ও জমির কবুলিয়ত দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে।
রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সাগর বেষ্টিত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মাথাগোজার ঠাঁই পাচ্ছেন ৭৭৬টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার। আশ্রয়ণপ্রকল্প-২ এর আওতায় দ্বিতীয় ধাপে দুই শতক জমির মালিকানাসহ সুদৃশ্য রঙিন টিনশেডের সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে এসব পরিবারের জন্য। প্রতিটি ঘরে থাকছে দুটি বেডরুম, একটি টয়লেট ও রান্না ঘর। একেকটি ঘর নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
রোববার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে ঘর উদ্ভোধন করলে রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘর হস্তান্তর করা হয়। এসময় উপকারভোগীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঘরের চাবি ও দলিলপত্র তুলে দেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মহিব্বুরর রহমান মহিব। ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা.জহির উদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাশফাকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো.দেয়োর হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন, বিএমএসএফ রাঙ্গাবালী উপজেলা সভাপতি জাবির হোসেন ও রাঙ্গাবালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান রুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে আশ্রয়ণপ্রকল্প-২ এর আওতায় প্রথমধাপে ৪৯১টি পরিবারকে ঘর দেয়া হয়েছিল। গত ২৩ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ঘর উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করেন।
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, মুজিব জন্মশতবর্ষে ডিমলায় ২০০টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার পেলেন নতুন বাড়ি। ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যায়ে ২ কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘর যাহার স্পেস ৩৯৪ বর্গফুট। গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে বাড়ি হস্তান্তরের সময় ডিমলায় ৪টি ইউনিয়নের মধ্যে গৃহহীন ও ভূমিহীন এসব পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হলো নতুন আবাস। আজ থেকে তারা মুজিব শতবর্ষের উপহারের নতুন বাড়িতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন । আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রীর একযোগে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদেরকে নতুন বাড়িতে তুলে দেয়াসহ কবুলিয়ত দলিল এবং খতিয়ান হস্তান্তর করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রট(এডিএম) নীলফামারী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়শ্রী রাণী রায় প্রমুখ।
ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা হলরুমে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমিসহ ঘর প্রদানে ভার্চুয়াল মিটিং এর আয়োজন করা হয়।  রোববার গণভবন থেকে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এসব ঘর বিতরণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলছে। প্রথম পর্যায়ে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধনের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমি ও সেমিপাকা ঘর প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান। ইতোমধ্যে এ বছরের ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ ও ব্যারাকে ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ফুলবাড়িয়া উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট ৭০ টি ঘর গৃহহীন ও ভূমিহীনের মাঝে দেওয়া হয়। এর মধ্যে বাক্তা ইউনিয়নে ২৬ টা, রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নে ২৯ টা, নাওগাও ইউনিয়নে ১২ টা, এনায়েতপুর ইউনিয়নে ০৩ টা। উলে¬খ্য, প্রথম পর্যায়ে ৫০ টি ঘর দেওয়া হয়েছিল।
উপজেলা হলরুমে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন – উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল ছিদ্দিক, সহকারী কমিশনার( ভূমি) দিলরুবা ইসলাম, জেলা প্যানেল চেয়ারম্যান ফারজানা শারমীন বিউটি, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল মালেক সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শরাফ উদ্দিন শর, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন সুলতানা সহ উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব, শিক্ষক, ভূমিহীন ও গৃহহীনদেী পরিবার প্রমুখ।
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর ও জমি পেয়ে আনন্দিত তৃতীয় লিঙ্গের উপকারভোগী শাহানাজ।মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দ্বিতীয় পর্যায়ে মোংলার ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫০টি পরিবার ৫০টি ঘর ও জমি পেয়েছেন।২০ জুন রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকারভোগী পরিবারের কাছে গৃহ হস্থান্তর কার্য্যক্রম ভিডিও কনফারেন্সথর মাধ্যমে উদ্বোধনের পর মোংলা উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপকারভোগীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পŸে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ এঘর এবং জমি হস্থান্তার করেন।  রোববার সকাল ১০টায় জমি ও ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার। ঘর হস্থান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান,কোস্ট গার্ডের লেঃ কমান্ডার সিদ্দিক আহমেদ,সহকারি কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী,মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষথর নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট শোভন সরকার,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নূর আলম শেখ,প্রভাষক মাহবুবুর রহমান,উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান,ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম,ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইস্রাফিল হোসেন হাওলাদার প্রমূখ। প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মান বজায় রেখে মেরুন কালারের দৃষ্টিনন্দন ঘরগুলি নির্মান করা হয়েছে। ঘরসহ প্রত্যেক পরিবারকে দুই শতক জমিও প্রদান করা হয়।মোংলা উপজেলার কামারডাঙ্গা মৌজার নারিকেলতলা গ্রামে মোংলা নদীর পাড়ে এই ৫০টি ঘর নির্মান করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে রবিবার সকালে গণভবন থেকে গৃহ হস্থান্তর কার্যক্রম ভিডিও কনফারেন্সথর মাধ্যমে উদ্বোধন করেন । প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সারাদেশে ৫৩ হাজার ৩৪০ টি ঘর ও জমি উপকারভোগীদের মাঝে হস্থান্তর করা হয়।এর আগে প্রথম দফায় সারা দেশে ৭০ হাজার এবং মোংলায় ৫০টি ঘর প্রদান করা হয়েছিলো।রবিবার ঘর এবং জমি পেয়ে আনন্দিত এমনটি জানিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের উপকারভোগী শাহানাজ।উপকারভোগী আঙ্গুরী বেগম,শেফালি বেগম,দিনোমনি হালদারসহ সকল উপকারভোগীরা জমি এবং ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান দ্বিতীয় পর্যায়ে হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে জাকজমক পূর্ণ সাড়া দেশের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরের দলিলাদি হস্তান্তের কাজ করেন। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহৎ উদ্যোগে ভূমিহীনদের জন্যে নির্মিত ৪৮০টি রঙিন পাকা ঘর উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেছে। এ সব পাকা বাড়ি ভূমিহীনরা পেয়ে তাদের মধ্যে আনন্দে উৎফল্ল বইছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম জানায়, প্রথম পর্যায়ে ৩৫৫টি পাকা বাড়ি নির্মাণে জন্যে ৬ কোটি ৭ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০০টি বাড়ি নির্মাণে জন্যে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ তরিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শামিম আখতার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তারিফুল ইসলাম স্ব-উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দেওয়ার বাস্তবায়নের কাজ করেছেন। এ সময় ঠাকুরগাঁও সহকারী জেলা প্রশাসক (এডিসি) রাম কৃষ্ণ বর্ম্মন, সংসদ সদস্য ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য ইমদাদুল হক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম, পৌর মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকরামুল হক প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *