স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৩ কর্মকর্তা সিআইডির হেফাজতে

জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ আরও তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এ নিয়ে এ মামলায় মন্ত্রণালয়ের ৯ জন কর্মচারী ও ১ জন ঠিকাদারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

হেফাজতে নেওয়া নতুন তিনজন হলেন- অহিদ খান, সেলিম ও হাবিব। তাদের মধ্যে অহিদ খান ওই অতিরিক্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। আর বাকি দুইজন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী।এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ৯ জন কর্মচারী ও একজন ঠিকাদারকে হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি।

ওই ঠিকাদারের নাম নাসিমুল গণি। রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানার কেশবপুর এলাকায় তাঁর বাড়ি। একই এলাকায় তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের কেনাকাটা সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গায়েব হওয়া নথির মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের কেনাকাটাসংক্রান্ত নথিও আছে।

তবে সিআইডির মুখপাত্র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান তিনজনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে পারেননি।

সিআইডির রাজশাহীর বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল জলিল জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যে ১৭টি নথি গায়েব হয়েছে তার মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের কেনাকাটার একটি নথি ছিল। ওই কেনাকাটার ঠিকাদার ছিলেন নসিমুল গণি টোটন। তদন্ত করতে গিয়ে ঢাকার সিআইডি মনে করেছে নাসিমুল গণি টোটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ জন্য তাকে নিয়ে যেতে ঢাকা থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় বাড়িতে অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা কিছু খোঁজার চেষ্টা করছিলাম। তবে যা খুঁজছিলাম, তা পাইনি। বাড়ির দোতলায় থাকেন ঠিকাদার টোটন। আমরা নিচতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত সবকিছুই দেখেছি।’

উল্লেখ্য, সচিবালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শাহাদৎ হোসাইনের কক্ষের পাশের একটি ঘর থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের কেনাকাটার ১৭টি নথি খোয়া গেছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *