স্যানিটাইজারেও ঘটতে পারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?

লাইফ স্টাইল

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা মহামারিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিত্য পণ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রত্যেকেই হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে এটি ব্যবহার করছি।

স্যানিটাইজার ব্যবহারের পর করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন ল্যাব এইড হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইসরাত জাহান।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় এখন আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু বাসায় থাকলে কিছুক্ষণ পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করলে ত্বকের জন্য ভালো হবে। কেবল সাবান-পানির পর্যাপ্ত সংস্থান না থাকলেই শুধু হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করব। এজন্য বাইরে থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারি।

স্যানিটাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত অ্যালকোহলভিত্তিক স্যানিটাইজার ব্যবহার করে থাকি। এ স্যানিটাইজারগুলোর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমাদের ত্বকে কিছু ভালো মাইক্রো-অর্গানিজম থাকে, যা ত্বককে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু হ্যান্ড স্যানিটাইজার অনেক সময় আমাদের ত্বকের ভালো মাইক্রো-অর্গানিজমগুলোকে মেরে ফেলে। এর ফলে আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়।

এ ছাড়া ত্বকে অনেক ধরনের রোগ দেখা দেয়। যেমন, ফাংগাল ইনফেকশন, ড্রাই স্কিন ইত্যাদি। তবে এ ধরনের রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা সব সময় নিজেদের কাছে ময়েশ্চারাইজার রাখতে পারি। এখন যেমন আমরা সবাই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাগে রাখি, ঠিক তেমনি ময়েশ্চারাইজারও সাথে রাখতে হবে।

হ্যান্ড স্যানিটাইজ করার পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বকের রোগগুলো হবে না। ত্বকও ভালো থাকবে। আমাদের একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে, বাসায় থাকলে সাবান-পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে। শুধু বাইরে থাকলেই স্যানিটাইজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

স্যানিটাইজার ব্যবহারে সতর্কতা বিষয়ে ডা. ইসরাত জাহান বলেন, আর অ্যালকোহলভিত্তিক স্যানিটাইজার অনেক দাহ্য। এজন্য এগুলো ব্যবহার করে রান্নাঘরে যাওয়া উচিত নয়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *