হাটহাজারীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

সারাবাংলা

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাজিরহাট রেল লাইনের পার্শ্বে বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন ২নং খতিয়ানের পূর্ব মন্দাকিনী মৌজার ৫২ শতক জমি দখলমুক্ত করেন উপজেলা প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রায় তিনঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে ভেঙে ফেলা হয় বিভিন্ন স্থাপনা। জনৈক সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক রেলওয়ে থেকে ৩০ শতক জমি লিজ নিয়ে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন।অভিযানে নেতৃত্বে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন ও সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) শরীফ উল্যাহ। ইউএনও বলেন, রেলওয়ে বিশাল মূল্যবান জমি গুলো অবৈধ ভাবে দখলে রেখেছে সিরাজুর ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। ২১ শতক জমিতে ১৭টি সেমিপাকা ঘর এবং ২টি দোকান নির্মাণ করেন তিনি। এ সব দোকান থেকে আয় করেন বিশাল একটা অর্থ। প্রতিটি ঘর ৩০০০/৪০০০ টাকা করে প্রতিমাসে ভাড়া দিয়েছেন। কৃষি কাজের জন্য তিনি ৩০ শতক জমি লীজ নিলেও বাস্তবে তা কৃষি জমি নয়। ৩০ শতক জমি লীজ নিয়ে দখল করেছেন ৫১ শতক।

কাগজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি ১৪২৬ বাংলা সন পর্যন্ত কৃষি কাজের জন্য লীজ নিয়েছেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি ব্যস্থাপনা নীতিমালা-২০২০ এর ৩০ ধারায় বলা আছে চাষযোগ্য কৃষি ভূমি ২ বছরের জন্য লাইসেন্স প্রদান করা যাবে। লীজ গ্রহীতা কৃষি কাজের জন্য ৩০ শতক জমি লীজ নিলেও বাস্তবে তা কৃষি জমি নয়। ৩০ শতক লীজ নিয়ে দখল করেছেন ৫১ শতক। নীতিমালায় আবাসিক ঘর নির্মাণ নিষেধ থাকলেও ১৭টি ঘর ও দুইটি দোকান নির্মাণ করেছেন। দোতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে স্থায়ী স্থাপনা অর্থাৎ দোতলা ভবন নির্মাণ করেছেন,এক সনা লীজে এরকম স্থাপনা নির্মান বিস্ময়কর। সুউচ্চ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। খাল দখল করে বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ করেছেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *