শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নরসিংদীতে ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে আরাফাতের ঈদের নামাজ আদায় ঈদের দিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে : প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা দেশ থেকে যেন অপরাজনীতি যেন চিরতরে দূর হয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিস্তিনসহ সকল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত নেতানিয়াহু গাজা প্রশ্নে ‘ভুল’ করছেন : বাইডেন বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল পবিত্র ঈদুল ফিতর শেখ হাসিনা গরীবের পরম বন্ধু : ড. মোমেন বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি এবং শিক্ষার পরিবেশ দুটিই থাকা উচিত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত : ওবায়দুল কাদের জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় কান্তা কন্সট্রাকশনের আয়োজনে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঈদ উপহার দিচ্ছেন আমিনুল ঢাকাস্থ সরাইল সমিতি’র উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঢাকা-ব্রাজিল সামগ্রিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর গ্রামের বাড়িতে শতাধিক দুস্থদের মাঝে খোকনের শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ শ্রীপুরে গরীব ও দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবারের ঈদে ঢাকা ছাড়তে ৯৮৪ কোটি টাকার অতিরিক্ত ভাড়া গুনবেন যাত্রীরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পাঁচ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ১০ জন নিহত অসহায় মানুষের সঙ্গে ঈদ আনন্দে সামিল হলো এনএফএস মানিক লাল ঘোষ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত পাইকগাছার কপিলমুনিতে ঐতিহ্যবাহী বারুণী স্নানোৎসব অনুষ্ঠিত ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরা হলো না বাবলু ডাক্তারের তাড়াশে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা শ্রীপুরে ৫শ অসহায় মানুষের মাঝে প্রতিমন্ত্রীর ঈদ সামগ্রী বিতরণ সালথায় ভেজাল তৈল তৈরির কারখানায় পুলিশের অভিযান: অসাধু ব্যবসায়ী আটক

হিরোইজম প্রদর্শনেই কিশোর অপরাধ

হাসান সরকার
বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪, ৫:১৭ অপরাহ্ন

বিশ্ব কবি বলেছেন- “তেরো-চৌদ্দ বছরের মত এমন বালাই আর নাই”। কথাটা একদমই সত্য। এই বয়সে ছেলে-মেয়েদের আবেগ, চিন্তা, ভাবনা ও চলাফেরায় পরিবর্তন আসে। বিগত দিনগুলোতে চলে আসা শাসন-বারণকে তারা আর মানতে চায় না। কিশোর-কিশোরীরা তাদের নিজের মতামত বা ভাবনাকে সঠিক বলে প্রমাণ করতে চায়। কিশোর বয়সের পরিবর্তনটা ইতিবাচক না নেতিবাচক হবে, তা নির্ধারণ করে দেয় পরিবার, সমাজ আর তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা। অনেক সময় অতি দারিদ্র কিংবা অতি প্রাচুর্য কিশোরদের বিপদগামী করে।

বর্তমান সময়ের অতি আলোচিত গ্যাং কালচারের সঙ্গে যুক্ত কিশোররা ভয়াবহ ধ্বংসের পথে হাটছে এতে কোন সন্দেহ নেই। পরিবার সমাজ তথা দেশের জন্য খুবই উদ্বেগের বিষয় এটি। অধিপত্য বিস্তারের হীন মানসিকতা থেকে ওদের ভেতরে জন্ম নিচ্ছে হিংসা, ক্রোধ আর দ্বন্ধ। ওরা জড়িয়ে যাচ্ছে চুরি, মাদক, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, যৌন হয়রানি সহ খুন-খারাবির মতো জঘন্য সব অপরাধের সঙ্গে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে ১০ থেকে ১৯ বছরের মাঝামাঝি বয়সী ছেলেমেয়ে হল কিশোর-কিশোরী এবং তাদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধ হল কিশোর অপরাধ। বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ অপরাধ করলে তাকে কিশোর অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে দেশ ভেদে কিশোর অপরাধের বয়সের তারতম্য হয়। কিশোর অপরাধ দলগতভাবে করা হলে তাকে গ্যাং বলে। কতিপয় কিশোরের একটি সংঘবদ্ধ দল বা অপরাধ চক্র হল কিশোর গ্যাং। গ্যাংয়ের সদস্যরা দলবদ্ধভাবে সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে। দলবেধে চলাফেরা, আড্ডা দেওয়া, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, মারামারি, চাঁদাবাজি, খুন ও ধর্ষন ইত্যাদি ঘটনায় জড়িত। প্রতিটি গ্যাং গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১০-৩০ জন বা তার কম বেশি হতে পারে। কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা অনেক সময় আধিপত্য বিস্থার ও গ্রুপিং নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্ধে জড়ায়। স্থানীয় কতিপয় সুবিধাবাদী বড় ভাইদের পৃষ্ঠপোষকতায় তারা এলাকায় কিশোর গ্যাং গড়ে তোলে এবং তার বাহারি নাম লক্ষ্য করা যায় যেমন: গ্যাং জিরো নাইন, রিস্ক জোন, ভাই গ্যাং, নাইন স্টার, ডিসকো বয়েজ, হ্যালো গ্যাং ইত্যাদি।

কিশোর গ্যাং কালচার একটি পুরনো পশ্চিমা সংস্কৃতি। যার সূচনা হয় আঠারো শতকের শেষভাগে ইংল্যান্ডে। ১৯৮০-৯০ এর দশকে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে কিশোর গ্যাং কালচার অনুপ্রবেশ করে। ৯০ এর দশকে ঢাকা শহরের গ্যাং বলতে শুধু সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টার গ্রুপের নাম শোনা যেত। তবে ২০০১ সালে রাজধানীর উত্তরায় ক্র্যাব গ্রুপ বা কাঁকড়া, গ্রুপের আবির্ভাবের মাধ্যমে ঢাকা শরেরর মানুষ কিশোর গ্যাং কালচার বা কিশোরদের দলগত অপরাধের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হয়। ২০১৭ সালে কিশোর গ্যাং গ্রুপ এর দ্বন্দে উত্তরা ট্রাস্ট স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেনীর ছাত্র আদনান কবির হত্যাকান্ডের পর কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির ভয়ংকর রুপ প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সারে নয়ন বন্ডের ফেসবুকভিত্তিক কিশোর গ্যাং “০৭” কর্তৃক বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যার পর কিশোর গ্যাং দেশের মানুষকে ভাবিয়ে তোলে। সম্প্রতি ২০২৩ সালের মে মাসে রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন বসুপাড়ায় কিশোর গ্যাং অতুল গ্রুপ ও পটেটো রুবেল গ্রুপ এর দ্বন্দে স্কুলছাত্র সিয়াম হত্যার কারণে কিশোর গ্যাং কালচার পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র্র ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। এদের কর্মকান্ড দিন দিন সহিংসতার আকার ধারণ করছে। সন্ধ্যা হলেই গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। তারা হিরোইজম দেখাতে গিয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। আবার অনেকে ভাড়ায় মারামারি করে। এছাড়া আধিপত্য বিস্তারের জন্য প্রতিনিয়ত এলাকায় নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ায়। আড্ডাবাজী মাস্তানি, পার্টি করা, চাঁদাবাজী, চুরি-ছিনতাই, মাদক সেবন ও মাদক কেনাবেচায় জড়িত। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা স্কুল কলেজে বুলিং-র‌্যাগিং করে এবং ছাত্রীদের উত্যক্ত করে এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণ করে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাগুলোতে এরা রামদা, হকিস্টিক, টিপ ছোরা ও চাপাতি ব্যবহার করে।

একটি দেশের ভবিষ্যত কর্নধার বলা হয় শিশু কিশোরদের। অপার সম্ভাবনার সেই কিশোররা জড়িত হচ্ছে বচহুমূখী সামাজিক অপরাধে। বিদ্যমান সমাজব্যবস্থা কিশোর গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার জন্য দায়ী। এছাড়া পারিবারিক শৃঙ্খলা ও পারিবারিক বন্ধন ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে সন্তান অপরাধে জড়াচ্ছে। প্রতিযোগিতার কারণে পিতামাতা উভয়ে চাকরি করার ফলে সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারে না। আবার কেউ কেউ অবহেলা করে ও খোঁজখবর রাখেন না যার জন্য সন্তান ভুল পথে চালে যায়।

বর্তমান সমাজের উঠতি বয়সী কিছু শিশু কিশোর কথাবার্তা ও চলাফেরাপয় বেপরোয়া মনোভাব পোষন করে। তারা হয়তো কোন গ্রুপের সদস্য অথবা কোনো দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এলাকায় মাস্তানী করে বেড়ায়। তাদের হাটাচলা বেমানান এবং আচার-ব্যবহার উচ্ছৃঙ্খল। তারা কথাবার্তায় ইচড়ে-পাকা। আবার উদ্ভট ধরনের পোশাক পরিচ্ছদ। অনেকে তাদের ফেসবুক প্রজন্ম বলেও চিনে। তারা ফেসবুকে নিজেকে জাহির করতে পছন্দ করে। হিরোইজম প্রদর্শন করা তাদের মজ্জাগত ধারণা ও স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যেন তাদের ধ্যান জ্ঞান। আবার অনেকে ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে নিজেদের বিকৃত কাজের ভিডিও আপলোড করে হিরোইজম প্রদর্শন করে। চট্টগ্রাম শরের একটি স্বনামধন্য স্কুলের দশম শ্রেনীর ৬-৭ জন ছাত্র সবাই শিক্ষিত পরিবারের সন্তান। তাদের কারও বাবা চিকিৎসক, আবার কারও বাবা সরকারি কর্মকর্তা। সবার বয়স মোটামুটি ১৬-১৭ বছর হবে। এলাকায় একসঙ্গে আড্ডা দেয়, মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করা এবং মেয়েদের ইভটিজিং করা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক কাজে পরিণত হয়। পরে স্থানীয় বড় ভাইদের পৃষ্ঠপোষকতায় বছর দেড়েক আগে তারা ডট গ্যাং নামে একটি কিশোর গ্যাং গড়ে তোলে। উক্ত গ্যাংয়ের সদস্যরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও হিরোইজম দেখানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের উচ্ছৃঙ্খল কাজ করতে থাকে।

একপর্যায়ের তারা সমাজে দলগত আড্ডাবাজি, মারামারি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরণের অপরাধের দিকে ঝুকে পড়ে। কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত এসব শিশু কিশোররা স্বাধীনচেতা মনোভাবের হয়। তারা কারও কথায় কর্ণপাত করে না। কারও উপদেশ শোনে না। এমনকি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে না। তারা সহজ বিষয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে অন্য গ্রপের সদস্যদের মনোযোগ আকর্ষন করতে চায়। নিজেকে তারা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্য গ্যাংয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চালায়। কিন্তু এই প্রতিযোগগিতার মনোভাবটা যখন বাস্তবতাবর্জিত এবং শুধু আবেগনির্ভর হয়ে পড়ে। তখন তা বিশৃঙ্খলায় রুপ নে। হিরোইজম দেখানোর যে আবেগতারিত ও উচ্ছৃঙ্খল মনোবাসনা তা কিশোর গ্যাং গড়ে ওঠার অন্যতম কারণ। গত ২৫ জুন ২০২২ তারিখ সাভারের আশুলিয়া হাজী ইউনুস আলী স্কুল এন্ড কলেজের আন্তঃশ্রেণী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা হয়। উক্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার। আশরাফুল আহসান জিতু নামের দশত শ্রেনীর একজন ছাত্র একটি স্ট্যাম্প দিয়ে উৎপল কুমার সরকারের ওপর অতর্কিত হামলা করে। তার পেটে ও মাথায় গুরুতর আঘাত করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উৎপল কুমার সরকার মারা যান। ঘটনাসূত্রে জানা যায়, উৎপল কুমার সরকার ছিলেন ঐ স্কুলের শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। সেই হিসাবে তিনি শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, চুলকাটা, ধূমপান ও ইভটিজিং সহ বিভিন্ন শৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত বিষয়গুলো দেখভাল করতেন। জিতুর চলাফেরা ছিল উচ্ছৃঙ্খল। বিভিন্ন সময় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। এছাড়া স্কুলের এক ছাত্রীকে নিয়ে ক্লাস চলাকালীন প্রায় সময় জিতুকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যেত। তাই শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে উৎপল কুমার সরকার জিতুকে স্কুল চলাকালে ছাত্রীকে নিয়ে স্কুলে ঘোরাফেরা করতে নিষেধ করেন। এই ঘটনায় জিতু ক্ষুদ্ধ হয়ে ঐ ছাত্রীর কাছে নিজের “হিরোইজম” দেখানোর জন্য উৎপল কুমার সরকারের উপর হামলার পরিকল্পনা করে।

“কিশোর অপরাধ” আগেও ছিল, এখন ও আছে। অন্যদিকে কিশোর গ্যাং কালচারও আমাদের সমাজে নতুন নয়। তবে দিন যত যাচ্ছে ততই অপরাধের মাত্রা ও ধরণ ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। এটা প্রতিরোধ করার জন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রী পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল আচরণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাছাড়া ব্যাক্তিপর্যায়ে সততা, নৈতিকতার চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। কিমোরদের মেধা বিকাশে খেলাধুলা ও সুষ্ঠু বিনোদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারের নিয়ন্ত্রন বাড়ানো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্মমূখী শিক্ষার ব্যবস্থা করা , মাদক নির্মূল, আয় বৈষম্য কমিয়ে আনা, সম্পদের সুষম বন্টন, দারিদ্র দূরীকরণ ও সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া শিশু-কিশোরদের কাউন্সেলিয়ের ব্যবস্থা করা এবং “কিশোর অপরাধ” এর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করা গেলে কিশোর অপরাধ কমে যাবে।

লেখক : 
সাংগঠনিক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ, সেন্ট্রাল ল’ কলেজ, ঢাকা ও
সভাপতি, নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, সদরপুর, ফরিদপুর।


এই বিভাগের আরো খবর