১৫ ইউনিটেও নিয়ন্ত্রনে আসেনি বনানীর আগুন, যুক্ত হয়েছে বিমান বাহিনী

জাতীয় লিড ১

ডেস্ক রিপোট : রাজধানীর বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের তিন তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ আগস্ট) সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। একে একে যুক্ত হয় ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি। তবু সাড়ে তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন।

ইতোমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে বিমান বাহিনী। এছাড়া পুলিশ, র‌্যাবও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে।

ফায়ার সার্ভিস সদরদফতর সূত্রে জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় বিমান বাহিনীর কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করছে।

ফায়ারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবনটির তিন তলায় যেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে এমিকন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের গোডাউন রয়েছে। ওই গোডাউনে খেলাধুলার ক্রেস্টসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বানানো হতো। এগুলো মূলত মেটাল দিয়ে তৈরি করা হতো। আর এসব মেটালে প্রচুর পরিমাণ কেমিক্যাল থাকে। যার কারণে ভয়াবহ ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই ধোঁয়া আশপাশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

ভেতরে মেটালের পরিমাণ বেশি থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে একটু সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

এদিকে সময় যত যাচ্ছে আগুনের তীব্রতা এবং ধোঁয়ার পরিমাণ ততই বাড়ছে। এ অবস্থায় উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে বেসামাল হয়ে পড়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা বেগম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের এখন ১৫টি ইউনিট কাজ করছে। ভেতরে প্রচণ্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে কর্মীদের প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ধোঁয়া থাকায় অনেক জায়গায় ঠিকভাবে পানি দেওয়া যাচ্ছে না।

অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভেতরে কেউ আটকে আছে কি না সে তথ্যও কেউ নিশ্চিত করেনি।

তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী আহত হয়েছেন। আগুনের তীব্রতায় তার মুখের বামপাশের কিছু অংশ পুড়ে গেছে এবং চামড়া উঠে গেছে।

অন্যদিকে আগুনের ভয়াবহতা মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের রেস্কিউ টিম প্রস্তুতি নিচ্ছে ঘটনাস্থলের ভেতরে প্রবেশ করতে। কেউ ভেতরে আটকে আছে কি না সে বিষয়টি তল্লাশি করে দেখবেন তারা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *