শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা, আলোচনায় নাসিমা আক্তার সিমু জনমনে ভুল বুঝাবুঝি তৈরী হয়েছে, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই এনবিআর চেয়ারম্যান সালথা প্রেসক্লাবের টিনশেট ভবনের উদ্বোধণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডিমলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনীর উদ্বোধন উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীন আমাদের সমর্থন দিচ্ছ : ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিরাপ জব্দ, আটক ২ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান,প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমুখী শিক্ষায় আগ্রহী করতে হবে : এমপি আবুল কালাম লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ​ফুলবাড়িয়ায় ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ আগামী ৫ বছরে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫% করার চিন্তা করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে ৪টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাড়ে ৯ লাখ টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাইকগাছায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত সালথায় স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদায় অভিযান, ১ লাখ টাকা মূল্যের ঘেরাজাল জব্দ ফটিকছড়িতে কুড়িয়ে পাওয়া ২০ লাখ টাকা মালিককে ফেরত দিলেন নৈশ প্রহরী কাউখালীতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান মোতাহার তালুকদার সাপাহারে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনা বিষয়ক প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত জনগণের দোরগোড়ায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী আশরাফ উদ্দিন শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে মায়েদের অতিরিক্ত কাজের চাপ: গবেষণা ১২ পুলিশ সুপার কে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি এবছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার প্রশংসা করলেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী জৈন্তাপুরে বিজ্ঞান ভিত্তিক উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত কড়াইল জামাইবাজারে ঢাকা ওয়াসা গভীর নলকূপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর পিএস ফুলবাড়িয়ায় কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুরে পুজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সভাপতি নিবারন চন্দ্র দাস, সম্পাদক প্রনত কান্ত দেব নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার অতিক্রম কাপ্তাইয়ে খামারীদের মাঝে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপকরণ হস্তান্তর

১৯৭৩ সালের পর ডলারের সবচেয়ে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক :
বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

ঢাকাপ্রতিদিন অর্থনীতি ডেস্ক : বিশ্ববাজারে এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ডলারের মান ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। এটাকে ১৯৭৩ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের মুদ্রার বিপরীতে এই পতন বিনিয়োগকারীদের গভীর উদ্বেগে ফেলেছে।

১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র স্বর্ণমান থেকে বেরিয়ে আসার পর ডলারের বড় ধরনের দরপতন দেখা দিয়েছিল। তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন, তবে সেটাও ছিল বৈশ্বিক অর্থনীতির মোড় ঘোরানো সময়। এবার পতনের নেপথ্যে আছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এককেন্দ্রিক ও আগ্রাসী বৈশ্বিক কৌশল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে। বর্ধিত শুল্ক, ঋণের বোঝা ও মূল্যস্ফীতির সম্ভাবনা ডলারের উপর চাপ বাড়িয়েছে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগ কমছে, আর সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণের খরচ বেড়েছে।

ডলার দুর্বল হওয়ায় রপ্তানিকারকরা সাময়িক সুবিধা পেলেও আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক বাণিজ্য পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি কিছুটা প্রশমিত হলেও বিনিয়োগকারীদের মনে সেই দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে।

এই প্রেক্ষাপটে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের স্টিভ ইংল্যান্ডার বলেন, ডলার দুর্বল না শক্তিশালী—এটাই মূল প্রশ্ন নয়; আসল প্রশ্ন হলো, বিশ্ব এই অবস্থানকে কীভাবে দেখছে?

ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা তার প্রবৃদ্ধিমুখী অবস্থানের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পর ডলারের সূচক শিখরে পৌঁছালেও পরে তা পড়তে শুরু করে। মূল্যস্ফীতির আতঙ্ক, সুদবৃদ্ধির প্রভাব এবং কোম্পানিগুলোর আয় নিয়ে শঙ্কা সেই আস্থাকে নড়বড়ে করে তোলে।

এরপর আসে ২ এপ্রিলের ‘স্বাধীনতা দিবস’ ঘোষণা—যেদিন ট্রাম্প একতরফাভাবে উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এই অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত শেয়ারবাজার, বন্ড এবং ডলারের ওপর একযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

শুল্ক আরোপের ফলে আমদানি খরচ বাড়ে, ফলে বিদেশি ব্যবসায়ীরা ডলারের লেনদেন কমিয়ে দেয়। এতে ডলার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার সম্ভাবনা হ্রাস পায়, বিশেষ করে সরকারি বন্ডের বাজারে। এতে করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।

বিশ্বের অনেক বিনিয়োগকারী এখন ডলার এবং মার্কিন সম্পদের বিকল্প খুঁজছে। যেখানে একসময় যুক্তরাষ্ট্র ছিল নিরাপদ বিনিয়োগের গন্তব্য, এখন সেই বিশ্বাসে চিড় ধরেছে।

বছরের শুরুতে ডলারের মান ভালো থাকলেও, সময়ের সঙ্গে তা দুর্বল হয়ে পড়েছে। স্টিভ ইংল্যান্ডার বলেন, এক সময় ধারণা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ব্যতিক্রমী; এখন সেই বিশেষত্ব হারিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্পের ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যানের সঙ্গে আচরণ বিনিয়োগকারীদের আস্থায় আরও চিড় ধরিয়েছে।

শুল্ক বাড়লে আমদানি কমে, আর এতে ডলারের আন্তর্জাতিক লেনদেন হ্রাস পায়। একদিকে মুদ্রা রূপান্তরের ঝামেলা, অন্যদিকে মার্কিন অর্থনীতির প্রতি আস্থার ঘাটতি—দুটি বিষয় একসাথে ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ডলারের এই দুর্বলতা শেয়ারবাজারের মুনাফার চিত্রকেও ধোঁয়াশায় ফেলেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ২৪ শতাংশ বেড়ে নতুন উচ্চতায় গেলেও ইউরোতে হিসাব করলে মুনাফা দাঁড়ায় মাত্র ১৫ শতাংশ—অর্থাৎ সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে ১০ শতাংশ কম।

ফলে বহু মার্কিন বিনিয়োগকারী এখন দেশের বাইরে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ইউরোপের ইউরোস্টক্স ৬০০ সূচক এই সময়কালে ১৫ শতাংশ বাড়লেও ডলারে রূপান্তর করলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ শতাংশে। পেনশন তহবিল ও বিভিন্ন ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠান জানাচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বাজারে নতুন সম্ভাবনা খুঁজছে।
ঢাকাপ্রতিদিন/এআর


এই বিভাগের আরো খবর