`২০২১ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক ৪০টি সার্ভিস অনলাইনে’

জাতীয় তথ্য প্রযুক্তি

অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেছেন, ভাষা-প্রযুক্তিবিষয়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সার্ভিসগুলো দেশের তথ্যপ্রযুক্তির পরিকাঠামো বদলে দেবে।

আইসিটি বিভাগের অধীনে ভাষা-প্রযুক্তি বিষয়ক ৪০টি সার্ভিস ও টুলস তৈরির কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ৪০টি সার্ভিস অনলাইনে আসবে। ই- নথিকে ডি-নথিতে রূপান্তর করার জন্য এতে টেক্সট টু স্পিচ, বানান ও ব্যাকরণ সংশোধক ও ওসিআর-এর মত সার্ভিসগুলোও যুক্ত করা হবে।

আজ সোমবার গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পসহ আইসিটি বিভাগের বিসিসি’র আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডিজিটাল প্লাটফর্মে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পলক জিবোর্ডের মতো ‘বাংলা বোর্ড’ডেভেলপ করা হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, এ ইনপুট সিস্টেম বা কিবোর্ডে স্পেলচেকার, ওসিআর ও স্পিচ টু টেক্সট ইঞ্জিন যুক্ত থাকবে। এই ইনপুট সিস্টেমটিতে অটোমেটিক নেক্সট ক্যারেক্টার ও নেক্সট ওয়ার্ড সাজেশনের মতো ফিচার রয়েছে বলে তিনি জানান। স্ক্রিন রিডার, ব্রেইল কনভার্টার, সাইন টু টেক্সট রিকগনিশন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব করা হবে। এছাড়াও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর ভাষা তথ্য প্রযুক্তির আওতায় আনতে ইউনিভার্সাল বোর্ড নামে একটি লেআউট ফ্রি কিবোর্ড তৈরি করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের ভাষা সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল রিসোর্স আর্কাইভও তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১০০ মিলিয়ন সিনট্যাকটিক ট্রি ব্যাংক করপাস তৈরির কাজ চলমান রয়েছে, যা মূলত ন্যাশনাল করপাসের অংশ। এই কম্পোনেন্ট থেকে বাংলাদেশে প্রথম করপাস ড্রাইভেন লেক্সিকন তৈরি করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমে দশ হাজার ঘণ্টার স্পিচ করপাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সেন্টিমেন্ট ও ইমোশন অ্যানালাইজারের মাধ্যমে সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মতামত মাইনিং করার ব্যবস্থা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন