মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার ৫ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ নাটোরে “গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা” শীর্ষক ডায়লগ অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র মঞ্চের কয়েকজন মন্ত্রীত্বের লোভে বিকল্প রাজনীতি বিসর্জন দিয়েছেন বিশ্বের সব শান্তিরক্ষীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে সমস্যা নেই : তথ্য উপদেষ্টা আমতলীতে ডাকাতি, স্বর্নালংকার ও টকা লুট দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন জরুরি ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত হলেন এএসপি আল ফাহাদ হরিরামপুরে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মেয়ে আটক আনোয়ারায় যৌতুকের মামলায় মেরিনার স্বামী গ্রেপ্তার টেকসই ও আধুনিক পৌর নগর গঠনে মধুখালীতে ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কাউখালীতে দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ  লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ হাটহাজারীতে খাল খননে জলাবদ্ধতা কমে নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা ফটিকছড়িতে রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে কঠোর অবস্থান আবু তৈয়বের কালকিনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ‎রাজশাহী দুর্গাপুরে ট্রলিচাপায় আহত শিশু রাকিবের মৃত্যু লালমনিরহাটে মাদক উদ্ধার অভিযান, গ্রেপ্তার ২ কালকিনিতে সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা সরদার গ্রেপ্তার উলিপুরে আবারো তেঁতুলগাছের মগডালে আলোচিত সেই গৃহবধু চাঁপাইনবাবগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে চোখের লেন্সসহ ছানি অপারেশনের উদ্বোধন জঙ্গল সলিমপুরে উন্নয়নের নতুন অধ্যায়—সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছে সড়ক নির্মাণ কাজ সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০: বসতবাড়িতে হামলা সালথায় দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাপাহারে সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে মতবিনিময় সভা বরগুনায় ব্যবসায়ীর মস্তক বিহীন লাশ উদ্ধার শ্রীপুরে আ’লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র আনিছের জানাজায় মানুষের ঢল সংসদে তিতাসে খাদ্য গুদাম নির্মাণের দাবি উত্থাপন করলেন অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজনের সঙ্গে ত্রিশালে বিক্রি হচ্ছে পতাকা ও জার্সি বিক্রি রাস্তার উপর ময়লারস্তুপ, ময়লা পানিতে সয়লাব, পথচারী চলাচলে ভোগান্তি, পৌর কর্তৃপক্ষ নীরব

গণতন্ত্র মঞ্চের কয়েকজন মন্ত্রীত্বের লোভে বিকল্প রাজনীতি বিসর্জন দিয়েছেন

মাহফুজ জাহিদ
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বেহাত হয়ে গেছে এবং বিদ্যমান পুরোনো বন্দোবস্তকে ভাঙার ন্যূনতম যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা সংকুচিত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

রাজনৈতিক তাত্ত্বিক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণভোট, রাষ্ট্র সংস্কার ও সিরাজুল আলম খানের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন স্বপন বলেন,জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের ন্যূনতম পুনর্গঠনের যে অভিপ্রায় বা বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল, তাকে কেন্দ্র করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পক্ষে মতামত দিয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কার প্রক্রিয়া আজকে থমকে আছে। গণঅভ্যুত্থানে যে শ্রমিক, রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষ রাজপথে রক্ত দিল, ফ্যাসিস্ট পালানোর পর গঠিত সংস্কার কমিশনে তাদের কোনো জায়গা হলো না, তাদের মতামত নেওয়া হলো না। সুশীল রাজনীতিবিদেরা ক্ষমতার অংশীদার বনে গেলেও মেহনতি মানুষ বঞ্চিতই থেকে গেল।’

সীমান্তের অস্থিরতা ও দেশের অর্থনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সীমান্তে বর্তমানে এক অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। গ্রামবাসী ও বিজিবি মিলে সারারাত সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। নোম্যানস ল্যান্ডে নারী, শিশু, পুরুষ দিন-রাত কাটাচ্ছে। অথচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কড়া কোনো বার্তা দেওয়ার তথ্য আমাদের জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক সূচকগুলো নিম্নগামী, আরএমজি খাতে রপ্তানি কমছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, গতকাল মৌচাক মার্কেটে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দেশজুড়ে খুন, গুম ও নারী-শিশু নির্যাতন মহামারি আকার ধারণ করেছে।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘সিরাজুল আলম খানের চিন্তা অত্যন্ত সাহসী ও প্র্যাগমেটিক ছিল। তবে তিনি যেটিকে অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র’ বলেছেন, সেটিকে আমি ‘অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র’ বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কারণ রাষ্ট্রে জনগণের মালিকানা থাকলেও তা চর্চা করা হয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে। তাঁর এই চিন্তার পেছনে ১৯১৭ সালের সোভিয়েত ইউনিয়নের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের রাষ্ট্রক্ষমতা চর্চার এক ধরনের প্রভাব ছিল।’

তিনি বলেন, আমরা রক্তক্ষয়ী পথ পরিহার করে ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংবিধান পরিবর্তনের জন্য ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ নির্বাচনের প্রস্তাব এনেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, আমরা যাদের নিয়ে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ গঠন করেছিলাম, তাদের অনেকেই সামান্য আসন বা পাতি-মন্ত্রিত্বের লোভে বিকল্প রাজনীতি গড়ার এই সম্ভাবনাকে বিসর্জন দিয়েছেন। ৯০ বা ২৪—প্রতিবারই অভ্যুত্থানের পর বিজয় জনগণের হাতছাড়া হয়ে কয়েকজনের কাছে চলে যায়।

আলোচনা সভার সভাপতির বক্তৃতায় জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব বলেন, ‘সিরাজুল আলম খান আজীবন একটি জাতীয় ঐক্যের কথা বলে গেছেন—যা শোষিত ও মেহনতি মানুষের পক্ষে দাঁড়াবে। ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থান সর্বজনীন রূপ পেয়েছিল বলেই স্বৈরাচারের পতন সম্ভব হয়েছে। কিন্তু শাসন ব্যবস্থার যদি আমূল সংস্কার না হয়, তবে ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও পুনরায় নতুন স্বৈরাচারের জন্ম হবে।

সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জেএসডির নেতা শহীদুল্লাহ ফরায়জী। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন জেএসডি’র নেতা ডা. হেলালুজ্জামান,শামসুল আলম নিক্সন, চর্চার সম্পাদক সোহরাব হোসেন প্রমুখ।


এই বিভাগের আরো খবর