ভোলার লালমোহন উপজেলার রহিমপুর ১নং ওয়ার্ডে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর নাম মুক্তা বেগম। তিনি ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জুয়েলের স্ত্রী।
আজ সোমবার ভোরে বাড়ির পেছনের বাথরুমের আড়ার সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় মুক্তার লাশ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মা রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেছে, তা আমি জানি না। তবে এটা আত্মহত্যা নয়, ওদের নির্যাতনের কারণেই আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। শ্বাশুড়ি, দেবরসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
অন্যদিকে নিহতের স্বামী জুয়েল দাবি করেন, ফজরের নামাজের পর মুক্তা আমার পাশ থেকে উঠে যায়। তখন সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিছুক্ষণ পর ঘুম থেকে উঠে দেখি ওকে ঘরে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনের বাথরুমের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে আশপাশের লোকজন ডাকলে সবাই মিলে ওকে নামানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন,খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।