জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন,একটি দল চব্বিশ পরবর্তী সময়ে মাত্র সতেরো মাসেই নিজেরা নিজেদের দুই শতাধিক লোককে দুনিয়া হতে সরিয়ে দিয়েছে। রাজনীতির নাম যদি মানুষ খুন হয় সেই রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি। এমন রাজনীতি আমরা চাই না।
১লা ফেব্রুয়ারী রোববার সকালে শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্কের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে শ্রীবরদী উপজেলার গোপালখিলা এলাকায় নিহত রেজাউল করিমের বাড়িতে গিয়ে তাঁর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি নিহত রেজাউল করিমের বাবাকে সান্ত্বনা দেন। কান্না বিজড়িত কন্ঠে মোনাজাত করেন ড. শফিকুর রহমান। এতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কবর জিয়ারতের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন তিনি। ঘটনার চার দিন পরও কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের আমির। তাঁর সঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. ছামিউল হক ফারুকী, শেরপুর শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে ড. শফিকুর রহমান শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
এদিকে দীর্ঘদিন পর তাঁর শেরপুর সফরকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভা ঘিরে সকাল থেকেই শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে জমায়েত হতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মীরা।
জনসভা ঘিরে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ও উঁচু ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা, র্যাব ও বিজিবির সদস্যদের কড়া অবস্থানে দেখা যায়।