কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ জন দালাল আটক করেছে র্যাব।
রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ শাহজাহান ।
আটক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান(৪৫) কিশোরগঞ্জ জেলার নীলগঞ্জ এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোঃ রাফসান(২৩) কিশেরাগঞ্জ সদর লতিফাবাদ এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শামীম মিয়া(৩১) সদর পাঠানকান্দি এলাকার মৃতঃ রহমত উল্লাহর ছেলে সাগর আহমেদ(৩৫) ব্রক্ষনকুচুরি এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন(৩০) সদর এলাকার কাটাবাড়ি মোঃ সিদ্দিকের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান(২৫) হোসেনপুর এলাকার আনুহা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে ফয়সাল(২২) কাটাবাড়ি এলাকার মোঃ সামছুল ইসলামের ছেলে মোঃ হৃদয় মিয়া(২৫) মোকছেদ পুর নুরুল আমিনের ছেলে বাদল মিয়া(৪৭) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ইনদারগাতী এলাকার মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে
মোঃ মিজানুর রহমান(৩০) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার কুচুরী এলাকার আব্দুল কাদের ছেলে মোঃ মোতাহার হোসেন(২৭) কিশোরগঞ্জ সদর সাথিয়া এলাকার সুলতান মাহমুদের ছেলে রনি(২৫) সদর ব্রাহ্মণকুচুরী সাইফুল ইসলামের ছেলে মোঃ ইমন(২০) সদর কাটাবাড়ি এলাকার মোঃ ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ নাদিম মিয়া(২৮) অষ্টপূর্ব এলাকার নুরুদ্দিনের ছেলে মোঃ উজ্জল মিয়া হৃদয় (২৫) সদর কাটাবাড়ি মোঃ গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোঃ সাফায়াতুল খালেক ওরফে সাইফুল (৩৮) সদর আনন্দপাড়া বজলুল খালেকের ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া(৩২) কাটাবাড়ি সদর মোঃ আজিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ মাসুদ রানা(৩৮) সদর কাটাবাড়ি এলাকার মোঃ হাফিজুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ(৪৩), ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ঢাকীপাড়া এলাকার কবির উদ্দিনের ছেলে সেলিম মজুমদার(৫২)হোসেনপুর এলাকার মৃতঃ সিদ্দিক হোসেনের ছেলে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের জানান র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের জানান কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের আভিযানিক দলের সদস্যর সিভিল পোশাকে থাকা অবস্থায় দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা টাকা দাবি করে। পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকেও সরকারি ফি ছাড়াও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজ পএ ভুল দেখিয়ে যাচাই ছাড়াই দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা আদায় করে আসছিল। অফিসে দালালবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ২০ জন সদস্যকে আটক করেছে র্যাব। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয় ।